ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন করার পর এএমএম নাসির উদ্দিন কমিশনের কাছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অবশেষে সেই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গতকাল সোমবার দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে ৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে শুরু হবে স্থানীয় সরকারের বড় এই উৎসব। মোট সাতটি ধাপে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নির্বাচনকে ঘিরে জাতীয় নির্বাচনের মতোই প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। শতভাগ সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ ভোটগ্রহণে বদ্ধপরিকর কমিশন।
এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সম্পূর্ণ নির্দলীয়ভাবে। নির্বাচনকে ঘিরে একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থাটি। যার ব্যত্যয় ঘটলে হতে পারে জেল-জরিমানাও। এর পরপরই সিটি করপোরেশনগুলোতে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনাও রয়েছে ইসির। ইউপি নির্বাচনের বিষয়ে কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের জানান, দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে সাতটি ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত প্রাথমিক তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় ধাপের ভোট নেওয়া হবে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে ৩০ ডিসেম্বর। পরবর্তী ধাপগুলোর সময়সূচি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সর্বশেষ ২৭ মে সপ্তম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
’ প্রথম ধাপের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘প্রথম ধাপে দেশের ৮০টি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে। এই সিদ্ধান্তগুলো কমিশন প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেছে। ’ তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও সার্বজনীন করতে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবে নির্বাচন কমিশন।
কমিশন বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো কার্যক্রমের তৃতীয় ধাপে নিবন্ধিত দলগুলোর সঙ্গে এই ধারাবাহিক সংলাপে বসবে ইসি। নির্বাচন ঘিরে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানা গেছে, এই নির্বাচনে মিছিল, পোস্টার, এআই কনটেন্টে আরোপ করা হয়েছে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা। নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনসহ প্রচারের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে।
এমনকি ভোটার স্লিপ বিতরণেও আরোপ হবে নির্দিষ্ট সীমা। নির্বাচনি প্রচারের জন্য মাইকের ব্যবহার করা যাবে দুপুর ১২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। শুধু তাই নয়, জাতীয় নির্বাচনের মতোই সরকারি সুবিধাভোগী ও কর্মকর্তারা কোনোভাবেই নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রচারের ধরন ও পরিধিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে জানিয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘নতুন আচরণবিধি অনুযায়ী মিছিল, পোস্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি সরকারি সুবিধা ব্যবহার, মাইক, বিলবোর্ড ও নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনসহ প্রচারের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও কঠোর বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তাই নতুন করে নির্বাচনি আচরণবিধিমালা করতে হচ্ছে। ’ ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবনা ভেটিং হয়ে আসার পর সিটি নির্বাচনের আচরণবিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যগুলোও প্রক্রিয়াধীন। এতে ২০১৬ সালের বিধিমালা বাতিল করে নতুন করে হচ্ছে। ইসি সূত্রে আরও জানা যায়, স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে নতুন বিধিমালায় নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রচারেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। সরকারি সুবিধা ব্যবহার, অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচারে অংশগ্রহণ, মাইক ব্যবহারের সময়, বিলবোর্ডের আকার এবং নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনেও করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ।
একই সঙ্গে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। নতুন বিধিমালায় কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সিটি নির্বাচনি এলাকায় কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান দিয়ে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট, হ্যান্ডবিল, ব্যানার বা প্রতীক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রয়েছে।
নির্বাচনি এলাকায় ভবন, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুতের খুঁটি, সরকারি ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের স্থাপনা, সেতু, কালভার্ট, মেট্রোরেলের পিলার, ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন স্থানে প্রচারসামগ্রী লাগানো যাবে না। এ ছাড়াও নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর থেকে ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য মিছিল করা যাবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে নতুন বিধিমালায় বেশকিছু কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
প্রার্থী বা তার পক্ষের কেউ ব্যক্তিগত কুৎসা, অপমানজনক বক্তব্য, মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য কিংবা এমন কোনো কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করতে পারবেন না, যা নির্বাচনের পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। জাতি, ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ বা সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়নি। এ ছাড়াও, ভোটার স্লিপ বিতরণেও নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হয়েছে।
কোনো ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে ভোটার স্লিপ বিতরণ করা যাবে না। ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, প্রতীক ও ভোট দেওয়ার সময়-সংক্রান্ত তথ্য থাকতে পারবে। তবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নাম, ছবি বা প্রতীক এমনভাবে ব্যবহার করা যাবে না, যাতে ভোটার বিভ্রান্ত হন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের ইউপি নির্বাচনের প্রচারে মাইক বা শব্দবর্ধনকারী যন্ত্র ব্যবহারে সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুপুর ১২টার আগে এবং সূর্যাস্তের পর মাইক ব্যবহার করে প্রচার করা যাবে না। প্রচারে ব্যবহৃত মাইক বা শব্দবর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, একটি ওয়ার্ডে একটির বেশি মাইক ব্যবহার করা যাবে না। আখতার হোসেন বলেন, ‘অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং সরকারি বা সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।
প্রার্থীর পক্ষে সরকারি যানবাহন, সরকারি প্রচারযন্ত্র বা অন্য কোনো সরকারি সুবিধা ব্যবহার করাও নিষিদ্ধ। কোনো প্রার্থীর পক্ষে সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে নির্বাচনি কাজে ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থী ছাড়া কোনো স্থানীয় সরকার পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র, প্রশাসক বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিও নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিতে পারবেন না।
’ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য অন্যান্য নির্দেশনার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রচারে বিলবোর্ড ব্যবহার করা গেলেও এর আকার ও সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। বিলবোর্ডের সর্বোচ্চ আয়তন হবে ১৬ ফুট বাই ৮ ফুট। কোনো প্রার্থী প্রতি ওয়ার্ডে একটির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। বিলবোর্ড এমনভাবে স্থাপন করা যাবে না, যাতে জনসাধারণের চলাচল, যানবাহন চলাচল বা পরিবেশের ক্ষতি হয়।
নির্বাচনি প্রচারে হেলিকপ্টার বা অন্য কোনো আকাশযান ব্যবহারেও দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। প্রচারের উদ্দেশ্যে ট্রাক, বাস, মোটরসাইকেল, নৌযান, ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে মিছিল বা শোভাযাত্রা করাও নিষিদ্ধ। নির্বাচনের দিন ভোটার আনা-নেওয়ার জন্যও কোনো ধরনের যানবাহন ভাড়া বা ব্যবহার করা যাবে না। প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ রেখেছে ইসি।
তবে এর জন্য আগেই রিটার্নিং অফিসারকে কোন মাধ্যমে প্রচার চালাবেন তার তথ্য দিতে হবে বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনি ব্যয়সীমা অতিক্রম করলে পেতে হবে শাস্তি। পুলিশের পূর্বানুমতি নিয়ে সভা, ঘরোয়া সভার আয়োজনের বিধানগুলোও প্রার্থী ও সমর্থকদের মানতে হবে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রার্থিতা বাতিলের সর্বময় ক্ষমতা রেখেছে ইসির হাতে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোনো উৎস থেকে পাওয়া রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোনো প্রার্থী কিংবা তার নির্বাচনি এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন বা লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছেন, তাহলে কমিশন বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারবে ইসি। শুধু তাই নয়, আচরণবিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিতও করার ক্ষমতা রাখা হয়েছে ইসির হাতে।
আচরণবিধি নতুন করে করা হয়েছে উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, ‘আশা করছি, জাতীয় নির্বাচনের মতোই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট উপহার দিতে পারব। ’ এদিকে ভোটের তারিখ ঘোষণার পরপরই দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও নানা জল্পনা-কল্পনার পর ভোটের সময়সূচি সামনে আসায় গ্রামগঞ্জে ফিরে এসেছে পুরোনো সেই নির্বাচনি আমেজ।
রূপালী বাংলাদেশের সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যমতে, দেশের বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার, চায়ের দোকান, মসজিদের সামনের আড্ডা থেকে শুরু করে সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠান— সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রে নির্বাচন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেকেই ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন। কেউ পুরোনো কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, কেউ বাড়ি বাড়ি গিয়ে কুশল বিনিময় করছেন।
আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে শুরু করেছেন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীদের ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে শুরু হয়েছে হিসাব-নিকাশ। গ্রামবাংলার নির্বাচনি আবহের অন্যতম পরিচিত জায়গা চায়ের দোকান। ভোটের তারিখ ঘোষণার পর এসব দোকানে যেন নতুন করে জমে উঠেছে আড্ডা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত স্থানীয় রাজনীতি ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা।
অনেকে আবার আগের নির্বাচনের ফল সামনে রেখে এবারকার সম্ভাব্য ফল নিয়েও হিসাব কষছেন। হবিগঞ্জের রিচি ইউনিয়নের ভোটার রঞ্জিত সরকার বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আমেজের মতোই ইউনিয়ন পরিষদের ভোট নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে আমরা চাই, এবার যেন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হয় এবং যোগ্য মানুষ নির্বাচিত হন। ’ এদিকে ভোটের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
যারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, তারা নিজেদের পুরোনো যোগাযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন। একই সঙ্গে নতুন মুখের অনেকেই প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।














