3:49 am, Tuesday, 15 September 2026

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অচল কোটি টাকার পানি শোধনাগার, সুন্দরগঞ্জবাসীর তীব্র পানির সংকট

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষ গত দুই বছর ধরে নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছেন। প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকায় নির্মিত পানি শোধনাগারটি শুধু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোনো কাজেই আসছে না। এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হওয়া ছয়শ পরিবারের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা। এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনবল সংকটের কারণে শোধনাগারটি ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় এই শোধনাগার নির্মাণ হয়। ২০০ ঘনমিটার পানি ধারণ ক্ষমতার শোধনাগারটি উদ্বোধন হয় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। তবে দুই মাস পরই বন্ধ হয়ে যায় কার্যক্রম।

গাইবান্ধার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়হান আলী বলেন, ‘পরিকল্পনা ছিল পৌর এলাকার ১২০০ পরিবারকে এখান থেকে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হবে। তবে সংযোগ দেওয়া হয় ৬০০ পরিবারকে। কিন্তু তারাও এখন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার পৌর প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘সংযোগ লাইনের ত্রুটি, কারিগরি সমস্যা, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় পৌর কর্তৃপক্ষ এটি চালাতে পারছে না। সমাধান হিসেবে, শোধনাগারটি ইজারা দেওয়া হবে।’

ইজারা কিংবা পৌরসভার নিজস্ব তত্ত্বাবধান, যেভাবেই হোক পানি শোধনাগারটি দ্রুত চালুর আশায় সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দারা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

কুষ্টিয়ায় পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত ৪০ গ্রাম, পানিবন্দী ৬০ হাজার মানুষ

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অচল কোটি টাকার পানি শোধনাগার, সুন্দরগঞ্জবাসীর তীব্র পানির সংকট

Update Time : 02:44:42 am, Tuesday, 15 September 2026

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মানুষ গত দুই বছর ধরে নিরাপদ পানির সংকটে ভুগছেন। প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকায় নির্মিত পানি শোধনাগারটি শুধু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কোনো কাজেই আসছে না। এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হওয়া ছয়শ পরিবারের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা। এদিকে পৌর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনবল সংকটের কারণে শোধনাগারটি ইজারা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সাড়ে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় এই শোধনাগার নির্মাণ হয়। ২০০ ঘনমিটার পানি ধারণ ক্ষমতার শোধনাগারটি উদ্বোধন হয় ২০২৪ সালের জুলাইয়ে। তবে দুই মাস পরই বন্ধ হয়ে যায় কার্যক্রম।

গাইবান্ধার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সায়হান আলী বলেন, ‘পরিকল্পনা ছিল পৌর এলাকার ১২০০ পরিবারকে এখান থেকে নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হবে। তবে সংযোগ দেওয়া হয় ৬০০ পরিবারকে। কিন্তু তারাও এখন সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার পৌর প্রশাসক ঈফফাত জাহান তুলি বলেন, ‘সংযোগ লাইনের ত্রুটি, কারিগরি সমস্যা, প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় পৌর কর্তৃপক্ষ এটি চালাতে পারছে না। সমাধান হিসেবে, শোধনাগারটি ইজারা দেওয়া হবে।’

ইজারা কিংবা পৌরসভার নিজস্ব তত্ত্বাবধান, যেভাবেই হোক পানি শোধনাগারটি দ্রুত চালুর আশায় সুন্দরগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দারা।