5:12 am, Wednesday, 16 September 2026

৪৬ বছরেও সরকারি সহায়তা পায়নি ফুলবাড়ীর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের স্কুল

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল ৪৬ বছরেও পায়নি কোনো সরকারি সহায়তা। নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় ছোট্ট একটি মাটির ঘরে চলে পাঠদান। পরীক্ষা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্লাস করতে ছেলেমেয়েদের যেতে হয় পাশের গির্জায়।

দৈর্ঘ্য ২১ ফুট। প্রস্থ ১২ ফুট। টিনের ছাউনির ছোট্ট এই মাটির ঘরেই ক্লাস চলছে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৩৯ শিক্ষার্থীর।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর খয়েরপুকুর ইউনিয়নের পুখুরী গ্রামের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিতে ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পুখুরী সেভেন্থ ডে অ্যাড্ভেন্টিস্ট প্রি-সেমিনারী স্কুল। ছোট্ট একটি কক্ষে একই সঙ্গে আটটি শ্রেণির পাঠদান চলায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে। পরীক্ষার সময় আর প্রচণ্ড গরম পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে যায় পাশের গির্জাতে।

পুখুরী সেভেন্থ ডে অ্যাড্ভেন্টিস্ট প্রি সেমিনারি স্কুল প্রধান শিক্ষক মানিক মিনজি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুলের পোশাক, খাতা ও দুপুরের খাবার ব্যবস্থা করা হয়।’

পুখুরী এসডিএ চার্চ মিশন পরিচালনা কমিটির সদস্য নরেশ মারান্ডি বলেন, ‘সরকারি কোনো রকম সহায়তা না মেলায় ব্যাহত হচ্ছে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম। মাত্র দুই জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পুরো স্কুলের পাঠদান।’

উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বিদ্যালয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত নয়। তবে এ নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

স্থানীয় শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্কুলটির ভবন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

নুসরাত হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ৮ জন কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত

৪৬ বছরেও সরকারি সহায়তা পায়নি ফুলবাড়ীর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের স্কুল

Update Time : 02:42:24 am, Tuesday, 15 September 2026

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল ৪৬ বছরেও পায়নি কোনো সরকারি সহায়তা। নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় ছোট্ট একটি মাটির ঘরে চলে পাঠদান। পরীক্ষা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ক্লাস করতে ছেলেমেয়েদের যেতে হয় পাশের গির্জায়।

দৈর্ঘ্য ২১ ফুট। প্রস্থ ১২ ফুট। টিনের ছাউনির ছোট্ট এই মাটির ঘরেই ক্লাস চলছে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৩৯ শিক্ষার্থীর।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর খয়েরপুকুর ইউনিয়নের পুখুরী গ্রামের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর শিশুদের পড়ালেখার সুযোগ করে দিতে ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পুখুরী সেভেন্থ ডে অ্যাড্ভেন্টিস্ট প্রি-সেমিনারী স্কুল। ছোট্ট একটি কক্ষে একই সঙ্গে আটটি শ্রেণির পাঠদান চলায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি চরমে। পরীক্ষার সময় আর প্রচণ্ড গরম পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে যায় পাশের গির্জাতে।

পুখুরী সেভেন্থ ডে অ্যাড্ভেন্টিস্ট প্রি সেমিনারি স্কুল প্রধান শিক্ষক মানিক মিনজি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের স্কুলের পোশাক, খাতা ও দুপুরের খাবার ব্যবস্থা করা হয়।’

পুখুরী এসডিএ চার্চ মিশন পরিচালনা কমিটির সদস্য নরেশ মারান্ডি বলেন, ‘সরকারি কোনো রকম সহায়তা না মেলায় ব্যাহত হচ্ছে স্কুলের স্বাভাবিক কার্যক্রম। মাত্র দুই জন শিক্ষক দিয়ে চলছে পুরো স্কুলের পাঠদান।’

উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বিদ্যালয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত নয়। তবে এ নিয়ে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি।

স্থানীয় শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্কুলটির ভবন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।