4:18 pm, Friday, 12 June 2026

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সঠিক হয়নি : ডা. শফিকুর রহমান

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার আজ হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। তিনি আরও লেখেন, ‘তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, আজ তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো। এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবে কোথায়?

শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত জানিয়ে তিনি লেখেন, কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram নাগরিক সংগ্রাম

Nagorik Sangram | নাগরিক সংগ্রাম
Popular Post

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সঠিক হয়নি : ডা. শফিকুর রহমান

Update Time : 01:05:45 pm, Friday, 12 June 2026

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামী আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাতে ফেসবুকের এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার আজ হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। তিনি আরও লেখেন, ‘তা না করে যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, আজ তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত এর ক্ষতি জনগণেরই হলো। এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবে কোথায়?

শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত জানিয়ে তিনি লেখেন, কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।