3:37 am, Wednesday, 5 August 2026

দেশীয় অস্ত্র-লাঠিসোঁটাসহ বেরোবিতে ছাত্রদল-যুবদল, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটাসহ অবস্থান নিয়েছে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় দল ঘটনাস্থলে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর থেকে রংপুর মহানগরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বেরোবির প্রধান ফটকে নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হতে শুরু করেন। এ সময় তাদের হাতে ছুরি, চাপাতি, লাঠিসোঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।

এ সময় নেতা-কর্মীরা ‘তুমিও জান আমিও জানি, জামায়াত-শিবির সমকামী’, ‘শিবিরের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘জামায়াত-শিবিরের ঠিকানা, রংপুরে হবে না’, ‘জামায়াত-শিবির দেখে যা, রাজপথে তোর বাবারা’, ‘হই হই র‌ই রই, জামায়াত-শিবির গেলি কই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে আশা এক যুবদল কর্মী বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সঙ্গে সহমত ও সহমর্মিতা জানিয়ে এখানে অবস্থান নিয়েছি। এখান থেকে ওই রাজাকার, আল-বদরদের জানিয়ে দিতে চাই, ওদের জায়গা একাত্তরে যেমন বাংলাদেশে হয়নি, ৫ আগস্টের পরেও বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং রংপুরবাসী তাদেরকে বয়কট করেছে‌।

তবে একই স্থানে কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও ঘটনাস্থলে আসেনি ছাত্রশিবির কিংবা তাদের অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতা-কর্মী।

এ বিষয়ে বেরোবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, আমাদের বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। আমরা তাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে নিষেধ করেছি। পুরা রংপুর মহানগরের যেসব নেতা-কর্মীরা ছিলেন, আমরা তাদের বুঝিয়েছি। ক্যাম্পাসে ছাত্র ব্যতীত কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি গ্রুপ এখানে রয়েছে এবং আরেকটি গ্রুপ লালবাগ থেকে রওনা হয়েছিল ওখানেও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুই গ্রুপ দুই স্থানে অবস্থান করছে যেন মুখোমুখি সংঘর্ষ না হয়, সে জন্য আমরা ওপর মহলেও জানিয়েছি। তাজহাট থানার ওসিকেও জানানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram নাগরিক সংগ্রাম

Nagorik Sangram | নাগরিক সংগ্রাম
Popular Post

গুমের তদন্তের দায়িত্ব মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

দেশীয় অস্ত্র-লাঠিসোঁটাসহ বেরোবিতে ছাত্রদল-যুবদল, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

Update Time : 07:58:16 pm, Tuesday, 4 August 2026

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকে ছাত্রদল-শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটাসহ অবস্থান নিয়েছে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এর আগে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় দল ঘটনাস্থলে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৪টার পর থেকে রংপুর মহানগরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে বেরোবির প্রধান ফটকে নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হতে শুরু করেন। এ সময় তাদের হাতে ছুরি, চাপাতি, লাঠিসোঁটাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।

এ সময় নেতা-কর্মীরা ‘তুমিও জান আমিও জানি, জামায়াত-শিবির সমকামী’, ‘শিবিরের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘জামায়াত-শিবিরের ঠিকানা, রংপুরে হবে না’, ‘জামায়াত-শিবির দেখে যা, রাজপথে তোর বাবারা’, ‘হই হই র‌ই রই, জামায়াত-শিবির গেলি কই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে আশা এক যুবদল কর্মী বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সঙ্গে সহমত ও সহমর্মিতা জানিয়ে এখানে অবস্থান নিয়েছি। এখান থেকে ওই রাজাকার, আল-বদরদের জানিয়ে দিতে চাই, ওদের জায়গা একাত্তরে যেমন বাংলাদেশে হয়নি, ৫ আগস্টের পরেও বাংলাদেশের সাধারণ জনগণ, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং রংপুরবাসী তাদেরকে বয়কট করেছে‌।

তবে একই স্থানে কর্মসূচির ঘোষণা দিলেও ঘটনাস্থলে আসেনি ছাত্রশিবির কিংবা তাদের অঙ্গসংগঠনের কোনো নেতা-কর্মী।

এ বিষয়ে বেরোবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, আমাদের বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। আমরা তাদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে নিষেধ করেছি। পুরা রংপুর মহানগরের যেসব নেতা-কর্মীরা ছিলেন, আমরা তাদের বুঝিয়েছি। ক্যাম্পাসে ছাত্র ব্যতীত কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি গ্রুপ এখানে রয়েছে এবং আরেকটি গ্রুপ লালবাগ থেকে রওনা হয়েছিল ওখানেও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দুই গ্রুপ দুই স্থানে অবস্থান করছে যেন মুখোমুখি সংঘর্ষ না হয়, সে জন্য আমরা ওপর মহলেও জানিয়েছি। তাজহাট থানার ওসিকেও জানানো হয়েছে।