5:32 pm, Sunday, 6 September 2026

মিটার নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল!

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুতের মিটার খুলে নেওয়ার পরও এক গ্রাহকের নামে বিলের কাগজ এসেছে। মিটারবিহীন সংযোগে আগস্ট মাসের জন্য ৬৯২ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

গত ২৫ আগস্ট মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পান। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় পাঁচটি মিটার ছিল। সেখান থেকে একটি মিটার খুলে নতুন করে বাড়ির পাশে মন্দিরের জন্য একটি বাণিজ্যিক মিটার চেয়ে আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে সেই বাণিজ্যিক মিটারটি আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই স্থাপন করা হয়েছিল। সম্প্রতি জুলাই মাসের যে কোনো সময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও সেই মিটারের আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকা বিল আসে।

নিমাই চন্দ্র সরকার মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসল। মিটার নিলাম গাছ পড়ে ভেঙে গেল। তারা মিটার আবার নিয়ে গেল, তাহলে বিলে কেন আসলো? আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি।’

এ বিষয়ে জানতে পল্লী বিদ্যুৎ এর তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে এটা ভুল হয়ে গেছে।’

বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিল, তবে মিটারের গ্রাহক সেই মিটারটি বানিজ্যিকভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তাই আগের যে আবাসিক ছিল সেইটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় তবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

মিটার নেই তবুও এল বিদ্যুৎ বিল!

Update Time : 02:04:33 am, Sunday, 6 September 2026

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুতের মিটার খুলে নেওয়ার পরও এক গ্রাহকের নামে বিলের কাগজ এসেছে। মিটারবিহীন সংযোগে আগস্ট মাসের জন্য ৬৯২ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহক।

গত ২৫ আগস্ট মাদারগঞ্জের চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পান। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের বিলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় পাঁচটি মিটার ছিল। সেখান থেকে একটি মিটার খুলে নতুন করে বাড়ির পাশে মন্দিরের জন্য একটি বাণিজ্যিক মিটার চেয়ে আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে সেই বাণিজ্যিক মিটারটি আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই স্থাপন করা হয়েছিল। সম্প্রতি জুলাই মাসের যে কোনো সময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও সেই মিটারের আগস্ট মাসের ৬৯২ টাকা বিল আসে।

নিমাই চন্দ্র সরকার মোবাইল ফোনে বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসল। মিটার নিলাম গাছ পড়ে ভেঙে গেল। তারা মিটার আবার নিয়ে গেল, তাহলে বিলে কেন আসলো? আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি।’

এ বিষয়ে জানতে পল্লী বিদ্যুৎ এর তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে এটা ভুল হয়ে গেছে।’

বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিল, তবে মিটারের গ্রাহক সেই মিটারটি বানিজ্যিকভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তাই আগের যে আবাসিক ছিল সেইটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় তবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’