4:03 am, Wednesday, 16 September 2026

হাজিদের কোনো কষ্ট ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: ধর্মমন্ত্রী

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

আল্লাহর মেহমান হজযাত্রীরা যাতে কোনো ধরনের কষ্ট, অবহেলা বা জুলুমের শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেন, হাজিদের কোনো কষ্ট, অবহেলা বা জুলুম সহ্য করা হবে না। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ৩০টি অ্যালায়েন্স বা লিড এজেন্সির অনুকূলে হজযাত্রী কোটা বণ্টনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রী আমাদের। হজযাত্রীদের সেবায় ধর্ম মন্ত্রণালয় সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। হাজিদের খেদমতে যা কিছু প্রয়োজন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে তাদের রেসপন্সিবিলিটি যথাযথভাবে পালন করতে হবে, যাতে কোনো হাজি ভোগান্তিতে না পড়েন।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কাজে ভুলত্রুটি হলে একে অপরের দোষ খোঁজার পরিবর্তে কীভাবে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং সৌদি আরবের বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে হজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কোনো সিদ্ধান্ত বা কাজের জন্য কেউ এলে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কাউকে অযথা ঘোরানো বা হয়রানি করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের নিবন্ধিত কোটার সিংহভাগ বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তাই হজ এজেন্সিগুলোর কাজের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। হজ অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি আমানত জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সবাইকে নিজেদের ‘খাদিম’ বা সেবক মনে করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সফলভাবে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য তিনি সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেন, বর্তমানে সৌদি সরকারের প্রাথমিক নির্ধারণ অনুযায়ী বাংলাদেশের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এই প্রাথমিক কোটা থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

নুসরাত হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ৮ জন কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত

হাজিদের কোনো কষ্ট ও অবহেলা সহ্য করা হবে না: ধর্মমন্ত্রী

Update Time : 02:55:03 am, Wednesday, 16 September 2026

আল্লাহর মেহমান হজযাত্রীরা যাতে কোনো ধরনের কষ্ট, অবহেলা বা জুলুমের শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। তিনি বলেন, হাজিদের কোনো কষ্ট, অবহেলা বা জুলুম সহ্য করা হবে না। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ৩০টি অ্যালায়েন্স বা লিড এজেন্সির অনুকূলে হজযাত্রী কোটা বণ্টনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পাদনের লক্ষ্যে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার সব হজযাত্রী আমাদের। হজযাত্রীদের সেবায় ধর্ম মন্ত্রণালয় সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। হাজিদের খেদমতে যা কিছু প্রয়োজন, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোকে তাদের রেসপন্সিবিলিটি যথাযথভাবে পালন করতে হবে, যাতে কোনো হাজি ভোগান্তিতে না পড়েন।

ধর্মমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কাজে ভুলত্রুটি হলে একে অপরের দোষ খোঁজার পরিবর্তে কীভাবে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে এবং সৌদি আরবের বিধিবিধান যথাযথভাবে মেনে হজ কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কোনো সিদ্ধান্ত বা কাজের জন্য কেউ এলে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা করতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কাউকে অযথা ঘোরানো বা হয়রানি করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের নিবন্ধিত কোটার সিংহভাগ বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। তাই হজ এজেন্সিগুলোর কাজের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। হজ অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি আমানত জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, সবাইকে নিজেদের ‘খাদিম’ বা সেবক মনে করে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সফলভাবে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য তিনি সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

সভায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার বলেন, বর্তমানে সৌদি সরকারের প্রাথমিক নির্ধারণ অনুযায়ী বাংলাদেশের হজ কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এই প্রাথমিক কোটা থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনার নির্ধারিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট কোটা বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।