চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। বাড়ছে মৃত্যু। চলতি মাসেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন চার শিশুসহ ১১ জন। চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্তের শুরুতেই গুরুত্ব না দেওয়া ও হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় বাড়ছে মৃত্যুর ঝুঁকি। ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমানোর পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঠেকাতে সম্ভাব্য সবকিছু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রচণ্ড জ্বর, বমি বমি ভাব, ডায়রিয়াসহ নানা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগে ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য শিশু।
কয়েক মাস বয়সী শিশু থেকে শুরু করে আক্রান্ত হচ্ছে ১০-১২ বছরের শিশুরাও। রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শয্যা সংকটে একই বেডে একাধিক শিশুকে দিতে হচ্ছে চিকিৎসা।
চমেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘শিশুদের আক্রান্তের সঙ্গে এবার বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে একজন, জুলাইয়ে দুইজন, আগস্টে দুইজন ও সেপ্টেম্বরে ১১ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছে। এর মধ্যে চারজনই শিশু।’
চমেক হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া বলেন, ‘ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরও অনেকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ায় জটিলতা বাড়ছে।’
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
চট্টগ্রামে চলতি বছরের জানুয়ারিতে শহর ও উপজেলা মিলিয়ে ডেঙ্গু চিকিৎসা নিয়েছেন মাত্র ৬৮ জন। কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ জনে।













