4:17 am, Wednesday, 23 September 2026

যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত সামরিক প্রযুক্তির মোকাবিলা করেছে ইরান: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরাইলি হামলার সময় ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত সামরিক প্রযুক্তির মোকাবিলা করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।

এতে কিছু প্রযুক্তি তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে মোহেব্বি বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে, সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তিগুলো ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। উন্নত প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের কথা উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, এই যুদ্ধবিমানে উন্নত সংকর ধাতু, স্টেলথ প্রযুক্তি, উড্ডয়ন সক্ষমতা এবং অস্ত্র বহনের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এই মুখপাত্র দাবি করেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল। মোহেব্বি আরও দাবি করেন, আইআরজিসির নৌবাহিনী একটি মার্কিন পানির নিচে চলাচলকারী যান আটক করেছে। তার ভাষ্য, ওই যানে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং সেটির রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করা হবে।

তিনি বলেন, আইআরজিসি নৌবাহিনীর হাতে আসা এই পানির নিচের যানে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং এর রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হবে। ইরানের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরে মোহেব্বি বলেন, দেশটির কাছে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ, সহায়তা, পরিবহণ ও গোয়েন্দা বিমান রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পানির নিচে চলাচলকারী যান ও চালকবিহীন নৌযানও রয়েছে বলে তিনি জানান।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, আটক করা পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন থেকে ইরান কোনো নির্ণায়ক সামরিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাদের মতে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ভাবমূর্তির জন্য একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি: সংকট, কারণ ও উত্তরণের উপায়

যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত সামরিক প্রযুক্তির মোকাবিলা করেছে ইরান: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি

Update Time : 02:50:26 am, Wednesday, 23 September 2026

সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরাইলি হামলার সময় ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত সামরিক প্রযুক্তির মোকাবিলা করেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি।

এতে কিছু প্রযুক্তি তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে মোহেব্বি বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে যে, সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তিগুলো ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। উন্নত প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের কথা উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, এই যুদ্ধবিমানে উন্নত সংকর ধাতু, স্টেলথ প্রযুক্তি, উড্ডয়ন সক্ষমতা এবং অস্ত্র বহনের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এই মুখপাত্র দাবি করেন, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছিল। মোহেব্বি আরও দাবি করেন, আইআরজিসির নৌবাহিনী একটি মার্কিন পানির নিচে চলাচলকারী যান আটক করেছে। তার ভাষ্য, ওই যানে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং সেটির রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং করা হবে।

তিনি বলেন, আইআরজিসি নৌবাহিনীর হাতে আসা এই পানির নিচের যানে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং এর রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং শুরু হবে। ইরানের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরে মোহেব্বি বলেন, দেশটির কাছে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ, সহায়তা, পরিবহণ ও গোয়েন্দা বিমান রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পানির নিচে চলাচলকারী যান ও চালকবিহীন নৌযানও রয়েছে বলে তিনি জানান।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, আটক করা পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন থেকে ইরান কোনো নির্ণায়ক সামরিক সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। তাদের মতে, ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ভাবমূর্তির জন্য একটি বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।