4:10 am, Tuesday, 29 September 2026

সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিং

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিং। খুলনার মুহাম্মদ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনায় নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। প্রধান শিক্ষকের দাবি, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন কম হওয়ায় কোচিং করাচ্ছেন তারা। এই কাজকে অনিয়ম বলছেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

ক্লাস চলছে। উপস্থিতিও বেশ। তবে এটি বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম নয়। আরও আধাঘণ্টা আগেই ছুটি হয়ে গেছে। এখন চলছে ব্যক্তিগত কোচিংয়ে পাঠদান।

ছুটির পর বিদ্যালয়ের নিচ তলার সব কক্ষে তালা দেয়া হয়। তবে দোতলার বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে কোচিং করান খণ্ডকালীন কয়েকজন শিক্ষক।

স্কুল শেষে একই জায়গায়, অনেক অভিভাবক অতিরিক্ত ৫০০ টাকা খরচ করছেন কোচিংয়ের পেছনে। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।

প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়েই এই কার্যক্রম চালানোর দাবি শিক্ষকদের।

অনুমতি দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

মুহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খণ্ডকালীন শিক্ষকদের স্বল্প আয় বিবেচনা করেই কোচিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি বন্ধ করে দিলে তারা আর স্কুলে পড়াবে না। এতে বিদ্যালয়ের ক্ষতি হবে।’

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ভবন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কোচিং চালানোর সুযোগ নেই।’

এই স্কুলে দুই শিফটে শিক্ষার্থী ১২৭৭ জন। পূর্ণকালীন শিক্ষক ১৬ জন আর খণ্ডকালীন ৬ জন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

দেশে হামের উপসর্গে আরও তিনজনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ১০৯৯

সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিং

Update Time : 03:01:24 am, Tuesday, 29 September 2026

সরকারি স্কুলের শ্রেণিকক্ষেই চলছে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত কোচিং। খুলনার মুহাম্মদ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমন ঘটনায় নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। প্রধান শিক্ষকের দাবি, খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন কম হওয়ায় কোচিং করাচ্ছেন তারা। এই কাজকে অনিয়ম বলছেন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

ক্লাস চলছে। উপস্থিতিও বেশ। তবে এটি বিদ্যালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম নয়। আরও আধাঘণ্টা আগেই ছুটি হয়ে গেছে। এখন চলছে ব্যক্তিগত কোচিংয়ে পাঠদান।

ছুটির পর বিদ্যালয়ের নিচ তলার সব কক্ষে তালা দেয়া হয়। তবে দোতলার বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে কোচিং করান খণ্ডকালীন কয়েকজন শিক্ষক।

স্কুল শেষে একই জায়গায়, অনেক অভিভাবক অতিরিক্ত ৫০০ টাকা খরচ করছেন কোচিংয়ের পেছনে। এতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।

প্রধান শিক্ষকের অনুমতি নিয়েই এই কার্যক্রম চালানোর দাবি শিক্ষকদের।

অনুমতি দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

মুহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘খণ্ডকালীন শিক্ষকদের স্বল্প আয় বিবেচনা করেই কোচিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এটি বন্ধ করে দিলে তারা আর স্কুলে পড়াবে না। এতে বিদ্যালয়ের ক্ষতি হবে।’

খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ভবন ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কোচিং চালানোর সুযোগ নেই।’

এই স্কুলে দুই শিফটে শিক্ষার্থী ১২৭৭ জন। পূর্ণকালীন শিক্ষক ১৬ জন আর খণ্ডকালীন ৬ জন।