প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এক যুবককে নিয়ে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
তিনি বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খান লেখেন, কয়েক মাস আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, কেউ প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবারকে গালিগালাজ করলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পুলিশ হেফাজতে নেওয়া ওই যুবকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর মা-বাবাকে নিয়ে ‘বিশ্রী, অশ্লীল ও কদর্য ভাষায়’ গালিগালাজ করেছেন। এর কোনো প্রতিকার না হলে এ ধরনের ঘটনা সমাজে ‘ব্যাধির মতো’ ছড়িয়ে পড়তে পারে। রাশেদ খান লিখেছেন, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য বজায় রাখতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কারও সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগের জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে নির্দেশনা রয়েছে, সেটিও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বিলের অসামঞ্জস্যতা তৈরি হলেও এর জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর মা-বাবাকে গালিগালাজ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ওই যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া না হলে জনতার মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল কি না—এমন প্রসঙ্গও তোলেন রাশেদ খান।
বিএনপির এ নেতার দাবি, বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতা এখনও যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের মতো নয়। তাই সামাজিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাইবার অপরাধ বন্ধে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। একই বক্তব্যে বর্তমান সরকারকে ঘিরে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেন রাশেদ খান।

















