ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে কুমারুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক খালেকুজ্জামান সুজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও তার মুক্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে তার অফিস কক্ষে প্রায় ছয় ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ গিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চাঁন মিয়াকে উদ্ধার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর শুক্রবার সহকারী শিক্ষক খালেকুজ্জামান সুজনকে পুলিশ আটক করে। শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুর রউফ দাবি করেন, তার মেয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হয়নি বলে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ থানায় লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, শনিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চাঁন মিয়া বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সহকারী শিক্ষক সুজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রোববার বিক্ষোভ ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। তাদের দাবি, মামলাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক; তাই এটি প্রত্যাহার করে শিক্ষককে মুক্তি দিতে হবে।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও তাঁর বাবাকে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য থানায় আসতে বলা হয়েছে।













