6:32 am, Saturday, 7 November 2026

তুরস্কের পার্লামেন্টে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত

তুরস্কের পার্লামেন্টে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

গত আগস্টে তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দুই দেশ আক্রান্ত দেশের পাশে দাঁড়াবে এবং সহযোগিতা করবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক, পাকিস্তান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী শক্তি সৌদি আরব একটি অভিন্ন প্রতিরক্ষা কাঠামোর আওতায় যুক্ত হলো।

ন্যাটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী রয়েছে তুরস্কের। অন্যদিকে, পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্টে ২৭৯ ভোটে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। বিপক্ষে ভোট দেন ১১৯ জন আইনপ্রণেতা।

পার্লামেন্টে আলোচনার সময় ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) আইনপ্রণেতা জিয়া আলতুনইয়ালদিজ বলেন, এ চুক্তি কোনো তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে নয়। বরং সংঘাত বাড়ানোর পরিবর্তে তা প্রতিরোধ করাই এর উদ্দেশ্য।

সৌদি আরব ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহর, তেল স্থাপনা ও নৌপরিবহন লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

গত জুলাইয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর হামলার ঘটনাও বেড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

তুরস্কের পার্লামেন্টে ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদিত

Update Time : 02:42:04 am, Saturday, 7 November 2026

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে তুরস্কের পার্লামেন্ট। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

গত আগস্টে তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দুই দেশ আক্রান্ত দেশের পাশে দাঁড়াবে এবং সহযোগিতা করবে।

এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটোর সদস্য তুরস্ক, পাকিস্তান ও উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী শক্তি সৌদি আরব একটি অভিন্ন প্রতিরক্ষা কাঠামোর আওতায় যুক্ত হলো।

ন্যাটো জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী রয়েছে তুরস্কের। অন্যদিকে, পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর তথ্য অনুযায়ী, পার্লামেন্টে ২৭৯ ভোটে চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। বিপক্ষে ভোট দেন ১১৯ জন আইনপ্রণেতা।

পার্লামেন্টে আলোচনার সময় ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) আইনপ্রণেতা জিয়া আলতুনইয়ালদিজ বলেন, এ চুক্তি কোনো তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে নয়। বরং সংঘাত বাড়ানোর পরিবর্তে তা প্রতিরোধ করাই এর উদ্দেশ্য।

সৌদি আরব ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহর, তেল স্থাপনা ও নৌপরিবহন লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

গত জুলাইয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সংঘাত নতুন করে তীব্র হওয়ার পর হামলার ঘটনাও বেড়েছে।