সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের মধ্যে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। ফিল্ডিং করার সময় বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পান ওপেনার সাদমান ইসলাম। তীব্র ব্যথায় তাকে মাঠেই কাতরাতে দেখা যায়।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। পরে উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এই বাঁহাতি ব্যাটারকে। গতকাল শুক্রবার টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটে এ ঘটনা। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ৭৮তম ওভারের প্রথম বলটি লেগ সাইডে ফ্লিক করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আমির জাঙ্গু। সীমানার দিকে ছুটে যাওয়া বল আটকাতে দৌড় দেন সাদমান।
বাউন্ডারির কাছে নিচু হয়ে বল থামানোর চেষ্টা করার সময় তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মাটিতে আটকে যায়। সঙ্গে সঙ্গেই তীব্র ব্যথায় মাঠে পড়ে যান তিনি। দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন দলের ফিজিও। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সাদমানকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হলেও ব্যথা কমেনি। শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ড্রেসিংরুমে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখার পর হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পায়ে ব্যথার পাশাপাশি ফোলাভাব থাকায় তাকে হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাদমানের বাঁ পায়ের অ্যাঙ্কেল মচকে গেছে। তিনি বলেন, ‘সাদমানের বাঁ পায়ের অ্যাঙ্কেল মচকে গেছে। এখন পর্যবেক্ষণে আছে। আমরা তাকে এমআরআই স্ক্যানিং করতে পাঠাব। ’ এমআরআই পরীক্ষার ফল পাওয়ার পরই চোটের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তবে এই চোটে চলমান সিলেট টেস্টে সাদমানের ব্যাটিংয়ে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ওপেনিংয়ে নামতে হয়েছিল বোলিং অলরাউন্ডার নাঈম হাসানকে। ক্যারিয়ারে প্রথমবার ওপেন করতে নেমে ৫ রানেই ফিরেছেন তিনি। সাদমানের চোট গুরুতর হলে শুধু চলমান টেস্ট নয়, আগামী দক্ষিণ আফ্রিকা সফরেও তাকে পাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হতে পারে।
আপাতত এমআরআই পরীক্ষার ফলের অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল।




















