10:35 am, Tuesday, 19 May 2026

শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি ড্রেস গিফট পাই : ফারিণ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঈদের কেনাকাটা এবং শ্বশুরবাড়ির উপহার নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা। ফারিণ জানান, একটা সময় প্রচুর কেনাকাটা করলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, ঘরে ইতিমধ্যেই কাপড়ের বিশাল সংগ্রহ জমে গেছে।

তবে নিজের জন্য কম কিনলেও পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির মানুষদের জন্য নিয়মিত কেনাকাটা করেন তিনি। শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া উপহারের কথা উল্লেখ করে ফারিণ বলেন, ‘আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি লন গিফট পাই। তো আমার মনে হয় উনারা একটা জায়গা পেয়ে গেলেন আবার আমাকে গিফট করার।’তার কথায়, ‘কেনাকাটা এখনো শুরুই হয়নি। তবে আমি কোনদিন ঈদে নিজের জন্য কিনি না, ফ্যামিলির জন্যই কেনাকাটা করি। আর কুরবানির ঈদ তো মেইনলি একটু গরু কেনার পেছনেই মানুষের ব্যস্ততা থাকে, কাপড় ওভাবে কেনা হয় না। তারপরও চেষ্টা করি যারা দুই-একজন কাছের মানুষ, তাদের জন্য কেনাকাটা করার। এবারও করা হবে।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘কুরবানি ঈদ আমার খুব একটা ভালো কাটে না। কারণ আমি কুরবানি ঈদের দিন আর পরের দিন একটু কম বের হই। আমি অনেক বেশি ‘স্মেল সেনসিটিভ’ সেই জন্য এই সময়টায় রুমে বেশি থাকা হয়।’

তবে উৎসবের সামাজিকতা বজায় রাখেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাইরের রেস্টুরেন্টে বা আশেপাশে হয়তো যাওয়া হয় না, কিন্তু মানুষের বাসায় যাওয়া হয়। আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ওই মাংস দিতে যাওয়া হয়। আবার বাসায় কেউ আসলে রান্না করা হয়, এইটাই আরকি।’

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram নাগরিক সংগ্রাম

Nagorik Sangram | নাগরিক সংগ্রাম

শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি ড্রেস গিফট পাই : ফারিণ

Update Time : 09:13:36 am, Tuesday, 19 May 2026

ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঈদের কেনাকাটা এবং শ্বশুরবাড়ির উপহার নিয়ে কথা বলেছেন এই তারকা। ফারিণ জানান, একটা সময় প্রচুর কেনাকাটা করলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, ঘরে ইতিমধ্যেই কাপড়ের বিশাল সংগ্রহ জমে গেছে।

তবে নিজের জন্য কম কিনলেও পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির মানুষদের জন্য নিয়মিত কেনাকাটা করেন তিনি। শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া উপহারের কথা উল্লেখ করে ফারিণ বলেন, ‘আমার শ্বশুরবাড়ি থেকে অনেক পাকিস্তানি লন গিফট পাই। তো আমার মনে হয় উনারা একটা জায়গা পেয়ে গেলেন আবার আমাকে গিফট করার।’তার কথায়, ‘কেনাকাটা এখনো শুরুই হয়নি। তবে আমি কোনদিন ঈদে নিজের জন্য কিনি না, ফ্যামিলির জন্যই কেনাকাটা করি। আর কুরবানির ঈদ তো মেইনলি একটু গরু কেনার পেছনেই মানুষের ব্যস্ততা থাকে, কাপড় ওভাবে কেনা হয় না। তারপরও চেষ্টা করি যারা দুই-একজন কাছের মানুষ, তাদের জন্য কেনাকাটা করার। এবারও করা হবে।’

ফারিণ আরও বলেন, ‘কুরবানি ঈদ আমার খুব একটা ভালো কাটে না। কারণ আমি কুরবানি ঈদের দিন আর পরের দিন একটু কম বের হই। আমি অনেক বেশি ‘স্মেল সেনসিটিভ’ সেই জন্য এই সময়টায় রুমে বেশি থাকা হয়।’

তবে উৎসবের সামাজিকতা বজায় রাখেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাইরের রেস্টুরেন্টে বা আশেপাশে হয়তো যাওয়া হয় না, কিন্তু মানুষের বাসায় যাওয়া হয়। আত্মীয়-স্বজনের বাসায় ওই মাংস দিতে যাওয়া হয়। আবার বাসায় কেউ আসলে রান্না করা হয়, এইটাই আরকি।’