প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। শুক্রবার ২১ আগস্ট তিনি এ তথ্য জানান। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট নয়াদিল্লি সফর করতে পারেন তারেক রহমান।
তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রেস সচিব। রয়টার্সকে এ এ এম সালেহ বলেন, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ঢাকাও নয়াদিল্লির প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক মেরামতের লক্ষ্যে তারেক রহমানের সম্ভাব্য প্রথম নয়াদিল্লি সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে।
আন্দোলনের সময় দেশ ছাড়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ঢাকা একাধিকবার নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের অনুরোধটি পর্যালোচনা করছে। তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে। তবে গত সপ্তাহে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়, সম্ভাব্য সফরের আগে আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন।
এর কয়েক দিন আগে শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এ নিয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়। সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রাণঘাতী দমন-পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে গত নভেম্বরে শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে তিনি এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে।




















