11:44 pm, Friday, 21 August 2026

নানা সংকটে গতি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে এফআরসির কাজে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভিন্নমুখি সংকটে পড়েছে ২০১৬ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরু করা ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)। একদিকে মামলাজনিত কারণে প্রতিষ্ঠানটির জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলে আছে। অপরদিকে, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে যোগদান করায় পদটি শূন্য হয়েছে।

এতে সার্বিকভাবে সংস্থাটির কার্যক্রম গতিহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এফআরসি আইন অনুযায়ী প্রণীত বিধিমালার অনুমোদন পায়নি। প্রায় এক বছর আগে জনবল নিয়োগসহ বিধিমালার অনুমোদন চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হলেও অনুমতি মেলেনি। অন্যদিকে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরে তা আদালতে আটকে যায়। প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে বর্তমানে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠান।

এখন নতুন করে চেয়ারম্যান শূন্যতায় ভুগছে এফআরসি। গত ১৭ আগস্ট দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া যোগদান করেন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাসে এফআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক কর কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া। চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের পর নতুন করে এফআরসিতে স্থায়ী জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেন তিনি।

১৫০ জন জনবল নিয়োগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হলেও প্রথম দফায় ৫৭ জন নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া যায়। নানা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এফআরসি এবং ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর স্থগিতাদেশ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়েরের ঘটনা ঘটে।

স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে আপিল বিভাগ নিয়মিত শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামলাটি প্রেরণের নির্দেশ দেয়। বর্তমানে নিয়মিত বেঞ্চে মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় আছে। ২০১৬ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরুর এক দশক সময় পার হলেও এফআরসিতে এখনো স্থায়ী জনবল নিয়োগ হয়নি। ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন হিসেবে এফআরসিতে কাজ করছেন। বছরের পর বছর ইন্টার্ন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অপরদিকে এফআরসির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় চারটি বিধিমালা প্রণয়ন করে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অর্থ বিভাগে পাঠানো হলেও সেগুলো প্রায় এক বছর ধরে ঝুলে আছে। এগুলো হচ্ছে- প্রশাসনিক জরিমানা বিধিমালা, আর্থিক বিবরণী দাখিলসংক্রান্ত বিধিমালা, হিসাবরক্ষণ ও আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা এবং চার্টার্ড অব লিগ্যাল ফি বিধিমালা।

এসব বিধিমালা অনুমোদন না হওয়ায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও পরিচালনা করতে পারছে না এফআরসি। জানা গেছে, জনবল নিয়োগে এফআরসির পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নতুন করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এতে ৫৭ জনকে বাদ দিয়ে ১৫০ জনবলের বাকি ৯৩ জনবল নিয়োগের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। নতুন জনবল অনুমোদনে এফআরসির যুক্তি, ৫৭ জনের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে।

সে ব্যাপারে আদালত যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই পরিপালন করবে এফআরসি। ওই ৫৭টি শূন্য পদ বাদ দিয়ে নতুন করে জনবল নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া গেলে এ-সংক্রান্ত সংকটের একটা সমাধান হবে। তবে নতুন এই প্রস্তাবনার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত মেলেনি। প্রতিষ্ঠানটির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকেই আমরা দুদকে কার্যক্রম শুরু করেছি।

’ তার আগের সপ্তাহে এরআরসির কার্যালয়ে তার সঙ্গে কথা হলে চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বলেন, ‘আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এফআরসিকে শক্তিশালী করতে হবে। স্থায়ী জনবল ছাড়াই এফআরসি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। আইনগত জটিলতার কারণে সেটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনি জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

আশা করছি বিষয়টির দ্রুত সমাধান হবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘এফআরসির কার্যক্রমে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চারটি বিধিমালা প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এগুলোর দ্রুত অনুমোদন হবে বলে আশা করছি। তখন এফআরসি আরও বেশি কার্যকর ও কার্যক্ষম হবে। এদিকে হিসাবরক্ষণ ও আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা অনুমোদিত না হওয়ায় আপিল কর্তৃপক্ষ গঠন করতে পারছে না এফআরসি।

এ কারণে এফআরসির সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষের কোনো ধরনের আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ মিলছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট এফআরসি কাউন্সিলের কাছে সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিউ আবেদন করতে পারবে- এ ধরনের একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এফআরসি। আপিল কর্তৃপক্ষ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। ’ বিধিমালাগুলোর অনুমোদনের বিষয়ে অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব সৈয়দ রাশেদুল হোসেন বলেন, ‘প্রশাসনিক জরিমানা বিধিমালার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পাশাপাশি, আর্থিক বিবরণী দাখিলসংক্রান্ত বিধিমালা, আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা এবং চার্টার্ড অব লিগ্যাল ফিস বিধিমালা সংশোধনের কাজও বর্তমানে চলমান রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

বান্দরবানে আনন্দের জোয়ার, পূর্ণ মন্ত্রী হলেন রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরি

নানা সংকটে গতি হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে এফআরসির কাজে

Update Time : 10:42:35 pm, Friday, 21 August 2026

ভিন্নমুখি সংকটে পড়েছে ২০১৬ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরু করা ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)। একদিকে মামলাজনিত কারণে প্রতিষ্ঠানটির জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলে আছে। অপরদিকে, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার হিসেবে যোগদান করায় পদটি শূন্য হয়েছে।

এতে সার্বিকভাবে সংস্থাটির কার্যক্রম গতিহীন হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এফআরসি আইন অনুযায়ী প্রণীত বিধিমালার অনুমোদন পায়নি। প্রায় এক বছর আগে জনবল নিয়োগসহ বিধিমালার অনুমোদন চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হলেও অনুমতি মেলেনি। অন্যদিকে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরে তা আদালতে আটকে যায়। প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে বর্তমানে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় সংকটে পড়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠান।

এখন নতুন করে চেয়ারম্যান শূন্যতায় ভুগছে এফআরসি। গত ১৭ আগস্ট দুদকের চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া যোগদান করেন। জানা গেছে, ২০২৫ সালের মে মাসে এফআরসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক কর কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া। চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদানের পর নতুন করে এফআরসিতে স্থায়ী জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেন তিনি।

১৫০ জন জনবল নিয়োগে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হলেও প্রথম দফায় ৫৭ জন নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া যায়। নানা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এফআরসি এবং ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর স্থগিতাদেশ চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়েরের ঘটনা ঘটে।

স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে আপিল বিভাগ নিয়মিত শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামলাটি প্রেরণের নির্দেশ দেয়। বর্তমানে নিয়মিত বেঞ্চে মামলাটি শুনানির অপেক্ষায় আছে। ২০১৬ সালের এপ্রিলে যাত্রা শুরুর এক দশক সময় পার হলেও এফআরসিতে এখনো স্থায়ী জনবল নিয়োগ হয়নি। ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্ন হিসেবে এফআরসিতে কাজ করছেন। বছরের পর বছর ইন্টার্ন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অপরদিকে এফআরসির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় চারটি বিধিমালা প্রণয়ন করে তা অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন অর্থ বিভাগে পাঠানো হলেও সেগুলো প্রায় এক বছর ধরে ঝুলে আছে। এগুলো হচ্ছে- প্রশাসনিক জরিমানা বিধিমালা, আর্থিক বিবরণী দাখিলসংক্রান্ত বিধিমালা, হিসাবরক্ষণ ও আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা এবং চার্টার্ড অব লিগ্যাল ফি বিধিমালা।

এসব বিধিমালা অনুমোদন না হওয়ায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রমও পরিচালনা করতে পারছে না এফআরসি। জানা গেছে, জনবল নিয়োগে এফআরসির পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে নতুন করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এতে ৫৭ জনকে বাদ দিয়ে ১৫০ জনবলের বাকি ৯৩ জনবল নিয়োগের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। নতুন জনবল অনুমোদনে এফআরসির যুক্তি, ৫৭ জনের নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আইনি জটিলতা রয়েছে।

সে ব্যাপারে আদালত যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই পরিপালন করবে এফআরসি। ওই ৫৭টি শূন্য পদ বাদ দিয়ে নতুন করে জনবল নিয়োগের অনুমোদন পাওয়া গেলে এ-সংক্রান্ত সংকটের একটা সমাধান হবে। তবে নতুন এই প্রস্তাবনার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত মেলেনি। প্রতিষ্ঠানটির সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকেই আমরা দুদকে কার্যক্রম শুরু করেছি।

’ তার আগের সপ্তাহে এরআরসির কার্যালয়ে তার সঙ্গে কথা হলে চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বলেন, ‘আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এফআরসিকে শক্তিশালী করতে হবে। স্থায়ী জনবল ছাড়াই এফআরসি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা জনবল নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম। আইনগত জটিলতার কারণে সেটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে আইনি জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

আশা করছি বিষয়টির দ্রুত সমাধান হবে। ’ তিনি আরও বলেন, ‘এফআরসির কার্যক্রমে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চারটি বিধিমালা প্রণয়ন করে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এগুলোর দ্রুত অনুমোদন হবে বলে আশা করছি। তখন এফআরসি আরও বেশি কার্যকর ও কার্যক্ষম হবে। এদিকে হিসাবরক্ষণ ও আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা অনুমোদিত না হওয়ায় আপিল কর্তৃপক্ষ গঠন করতে পারছে না এফআরসি।

এ কারণে এফআরসির সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ পক্ষের কোনো ধরনের আইনি প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ মিলছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট এফআরসি কাউন্সিলের কাছে সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিউ আবেদন করতে পারবে- এ ধরনের একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে এফআরসি। আপিল কর্তৃপক্ষ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। ’ বিধিমালাগুলোর অনুমোদনের বিষয়ে অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব সৈয়দ রাশেদুল হোসেন বলেন, ‘প্রশাসনিক জরিমানা বিধিমালার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

পাশাপাশি, আর্থিক বিবরণী দাখিলসংক্রান্ত বিধিমালা, আপিল কর্তৃপক্ষ বিধিমালা এবং চার্টার্ড অব লিগ্যাল ফিস বিধিমালা সংশোধনের কাজও বর্তমানে চলমান রয়েছে।