4:51 pm, Friday, 6 November 2026

মেট্রো স্টেশনের পদে চাকরি পেল আদা রঙের বিড়াল

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মানুষের জন্য নির্ধারিত চাকরি, অথচ সেই পদেই এবার জায়গা করে নিল একটি বিড়াল! মুম্বাইয়ের গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের আদা রঙের একটি বিড়ালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই এক মজার ঘটনা ঘটেছে।

যাত্রীদের রসিকতাপূর্ণ দাবিতে সাড়া দিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষও বিড়ালটিকে একটি বিশেষ পদে ‘নিয়োগ’ দিয়েছে। ভারতের মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করে বিড়ালটি। স্টেশনের নিয়মিত যাত্রীদের কাছেও এটি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বিড়ালটির একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রী সন্দেশ সামন্ত স্টেশনের প্রবেশপথের কাছে বসে থাকা বিড়ালটির একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেডকে (এমএমএমওসিএল) ট্যাগ করে মজার ছলে বিড়ালটিকে একটি সরকারি পদ দেওয়ার অনুরোধ জানান। সন্দেশ সামন্ত লেখেন, গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের এই নিষ্পাপ প্রাণীটিকে একটি সরকারি পদ দেওয়া হোক।

আপাতত এটি বিনা বেতনে কাজ করছে বলেও মজা করেন তিনি। যাত্রীর এমন রসিকতাপূর্ণ প্রস্তাবকে মেট্রো কর্তৃপক্ষও হাস্যরসের সঙ্গে গ্রহণ করে। এমএমএমওসিএল বিড়ালটির নাম দেয় ‘চিফ ফেলাইন অফিসার’ বা ‘প্রধান বিড়াল কর্মকর্তা’। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিড়ালটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে স্টেশন পরিদর্শন করা, যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা এবং এমন জায়গায় বসে থাকা, যেখানে তাকে দেখে সবাই মুগ্ধ হয়।

কর্তৃপক্ষ আরও মজা করে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তার কর্মদক্ষতা একেবারেই ‘পারফেক্ট’। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বিড়ালটিকে নিয়ে মজার মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, প্রতিদিন সকালে গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনে তিনি বিড়ালটিকে খোঁজেন। অন্য একজন মজা করে বিড়ালটিকে ‘চিফ মাউস ক্যাচার’ বা ‘প্রধান ইঁদুর শিকারি’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে একটি সাধারণ মেট্রো স্টেশনের পরিচিত বিড়ালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ‘কর্মকর্তা’। তবে এই নিয়োগ পুরোপুরিই মজার ছলে করা—বাস্তবে এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি চাকরি নয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

অধ্যক্ষর পদত্যাগের দাবিতে আজিমপুর সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের শিক্ষার্থীরা

মেট্রো স্টেশনের পদে চাকরি পেল আদা রঙের বিড়াল

Update Time : 03:41:33 pm, Monday, 24 August 2026

মানুষের জন্য নির্ধারিত চাকরি, অথচ সেই পদেই এবার জায়গা করে নিল একটি বিড়াল! মুম্বাইয়ের গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের আদা রঙের একটি বিড়ালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমনই এক মজার ঘটনা ঘটেছে।

যাত্রীদের রসিকতাপূর্ণ দাবিতে সাড়া দিয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষও বিড়ালটিকে একটি বিশেষ পদে ‘নিয়োগ’ দিয়েছে। ভারতের মহারাষ্ট্রের রাজধানী মুম্বাইয়ের গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনে দীর্ঘদিন ধরে ঘোরাফেরা করে বিড়ালটি। স্টেশনের নিয়মিত যাত্রীদের কাছেও এটি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি বিড়ালটির একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রী সন্দেশ সামন্ত স্টেশনের প্রবেশপথের কাছে বসে থাকা বিড়ালটির একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। সেখানে তিনি মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেডকে (এমএমএমওসিএল) ট্যাগ করে মজার ছলে বিড়ালটিকে একটি সরকারি পদ দেওয়ার অনুরোধ জানান। সন্দেশ সামন্ত লেখেন, গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের এই নিষ্পাপ প্রাণীটিকে একটি সরকারি পদ দেওয়া হোক।

আপাতত এটি বিনা বেতনে কাজ করছে বলেও মজা করেন তিনি। যাত্রীর এমন রসিকতাপূর্ণ প্রস্তাবকে মেট্রো কর্তৃপক্ষও হাস্যরসের সঙ্গে গ্রহণ করে। এমএমএমওসিএল বিড়ালটির নাম দেয় ‘চিফ ফেলাইন অফিসার’ বা ‘প্রধান বিড়াল কর্মকর্তা’। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, বিড়ালটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে স্টেশন পরিদর্শন করা, যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা এবং এমন জায়গায় বসে থাকা, যেখানে তাকে দেখে সবাই মুগ্ধ হয়।

কর্তৃপক্ষ আরও মজা করে জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তার কর্মদক্ষতা একেবারেই ‘পারফেক্ট’। মেট্রো কর্তৃপক্ষের এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই বিড়ালটিকে নিয়ে মজার মন্তব্য করেছেন। একজন লিখেছেন, প্রতিদিন সকালে গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনে তিনি বিড়ালটিকে খোঁজেন। অন্য একজন মজা করে বিড়ালটিকে ‘চিফ মাউস ক্যাচার’ বা ‘প্রধান ইঁদুর শিকারি’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

সব মিলিয়ে একটি সাধারণ মেট্রো স্টেশনের পরিচিত বিড়ালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত ‘কর্মকর্তা’। তবে এই নিয়োগ পুরোপুরিই মজার ছলে করা—বাস্তবে এটি কোনো আনুষ্ঠানিক সরকারি চাকরি নয়।