10:12 pm, Sunday, 8 November 2026

২৫ দিন পর দেশে ফিরল ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের মরদেহ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মৃত্যুর ২৫ দিন পর ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের (৩০) মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামের রহিম হুজুরের ছেলে। গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের আল মনসুর নামক এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অপেক্ষা আর কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার সময় তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছায়। এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের মাটিতে মরদেহটি আসে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মরদেহটি পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। শেষ বারের মতো এক নজর দেখার জন্য প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনরা তার বাড়িতে ভিড় জমায়। পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে ৮ বছর আগে দেশ ছাড়েন রেজাউল ইসলাম। কষ্টের অর্জিত টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন একটি বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িতে চলছিল তার বিয়ের প্রস্তুতি। শীঘ্রই তার বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে গেল।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

৪০ বছরে প্রথমবার লজ্জার রেকর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

২৫ দিন পর দেশে ফিরল ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের মরদেহ

Update Time : 07:08:12 pm, Thursday, 3 September 2026

মৃত্যুর ২৫ দিন পর ইরাক প্রবাসী রেজাউল ইসলামের (৩০) মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মৃগমারী গ্রামের রহিম হুজুরের ছেলে। গত ৯ আগস্ট বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় ইরাকের রাজধানী বাগদাদ শহরের আল মনসুর নামক এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে দায়িত্ব পালন করার সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘ অপেক্ষা আর কষ্টের প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার সময় তার মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছায়। এর আগে ইরাক থেকে একটি ফ্লাইটে বুধবার রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেশের মাটিতে মরদেহটি আসে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় মরদেহটি পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। মরদেহটি নিজ বাড়িতে নিয়ে আসলে পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদে এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। শেষ বারের মতো এক নজর দেখার জন্য প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনরা তার বাড়িতে ভিড় জমায়। পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে ৮ বছর আগে দেশ ছাড়েন রেজাউল ইসলাম। কষ্টের অর্জিত টাকা দিয়ে তৈরি করেছিলেন একটি বিলাসবহুল বাড়ি। বাড়িতে চলছিল তার বিয়ের প্রস্তুতি। শীঘ্রই তার বাড়িতে ফিরে এসে বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। কিন্তু একটি দুর্ঘটনা সবকিছু এলোমেলো করে দিয়ে গেল।