দেশজুড়ে বিদ্যুতের তীব্র সংকটে সাধারণ মানুষ যখন নাজেহাল এবং জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হয়ে সরকার দিশাহারা, ঠিক সেই মুহূর্তে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আইপিপি) মালিকেরা।
সরকারকে সহযোগিতা দূরে থাক, নিজেদের সক্ষমতার বিদ্যুৎও উৎপাদন করছে না অনেকগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র; বরং বসে বসে নিচ্ছে ক্যাপাসিটি চার্জ, যা সরকারের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো। একদিকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য অর্থের দায়ও থামছে না— এই দ্বৈত সংকটেই পড়েছে বিদ্যুৎ খাত। এ অবস্থায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং বাড়ছে।
শিল্প-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্যে বাড়ছে ব্যয় আর বাসাবাড়িতে ভোগান্তি চরমে উঠেছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সর্বশেষ প্রকাশিত হিসাবে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে গ্রিডভিত্তিক বেসরকারি খাতে ৬৪টি আইপিপির স্থাপিত সক্ষমতা ১০ হাজার ৫৮২ মেগাওয়াট। বেসরকারি খাতের মোট গ্রিড সক্ষমতা ১০ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট।
বিপরীতে সর্বোচ্চ চাহিদা চলতি বছর রেকর্ড করা হয়েছে ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দেশে যখন পর্যাপ্ত স্থাপিত সক্ষমতা রয়েছে, তখন সংকটের সময় সেই সক্ষমতার বড় অংশ কেন কাজে লাগানো যাচ্ছে না? আর যে কেন্দ্রগুলো উৎপাদন করছে না, সেগুলোর চুক্তির ধরন অনুযায়ী সরকারকে কী পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে? সংকটে ৬২ কেন্দ্র : সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সংকট আরও প্রকট হয়েছে।
বিভিন্ন কারণে দেশের ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর এসেছে। এর মধ্যে ২০টি কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধ ছিল। গ্যাসের অভাবে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর প্রায় ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা কাজে লাগানো যাচ্ছিল না। কয়লা ও তরল জ্বালানিনির্ভর কেন্দ্রগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছিল না। কিন্তু সংকটের এই সময়ে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সংকটকালীন এই সময়ে চট্টগ্রামে এস আলমের বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে ডোরেন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের বিদ্যুতকেন্দ্র, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, দেশ এনার্জি (চাঁদপুরে তাদের ২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র), প্যারামাউন্ট বিট্র্যাক এনার্জি লিমিটেড (বাঘাবাড়ীতে ২০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র), ইউনাইটেড গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ (আশুগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে) শাহজিবাজার পাওয়ার কোং, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন, বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, এবং কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেডের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নানান অজুহাতে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে বা বন্ধ রেখেছে, যা সরকারের এই দুঃসময়ে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উৎপাদন না করেও নিচ্ছে ক্যাপাসিটি চার্জ : বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সরকারের চুক্তিতে সাধারণত দুই ধরনের অর্থ পরিশোধের বিষয় থাকে— বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্রয়মূল্য এবং কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার জন্য ক্যাপাসিটি পেমেন্ট বা ক্যাপাসিটি চার্জ। ক্যাপাসিটি চার্জের যুক্তি হলো, একটি কেন্দ্রকে উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রাখতে যে বিনিয়োগ, ঋণ, পরিচালন ব্যয় ও নির্দিষ্ট আর্থিক দায় থাকে, তার একটি অংশ কেন্দ্র চালু না থাকলেও চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করতে হয়।
কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থাই বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কারণ, একদিকে কেন্দ্রগুলোকে জ্বালানি সংকট বা অন্যান্য কারণে চালানো যাচ্ছে না; অন্যদিকে চুক্তির আওতায় সরকারকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। ফলে এই কেন্দ্রগুলো এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকারের জন্য। তাই সরকার নিজেও এখন এই ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়নের কথা বলছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে সরকার পর্যালোচনার উদ্যোগ নিয়েছে এবং এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে। বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ! সংকটের সবচেয়ে বড় জায়গা অর্থের হিসাব। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ আমদানির বিপরীতে সরকারের ক্যাপাসিটি চার্জের দায় প্রায় ৪৮ হাজার ২৬১ কোটি টাকা।
আগামী অর্থবছরে সেটি বেড়ে প্রায় ৫২ হাজার ৬০৮ কোটি টাকা হতে পারে। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, আগামী অর্থবছরে শুধু ক্যাপাসিটি চার্জের হিসাবেই প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের ওপর প্রায় ৫ টাকা ৮ পয়সা ব্যয় হতে পারে। বর্তমানে গড় খুচরা বিদ্যুতের দাম ১০ টাকা ৪০ পয়সা হওয়ায় ক্যাপাসিটি পেমেন্টই গড়ে বিদ্যুতের দামের প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি দাঁড়াচ্ছে।
অর্থাৎ, ভোক্তা যে টাকা দিয়ে বিদ্যুৎ কিনছেন, তার একটি বড় অংশ যাচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্রকে উৎপাদনের বাইরের একটি নির্দিষ্ট আর্থিক দায় হিসেবে পরিশোধে। ১৪ বছরে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ : বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়ার ইতিহাসও দীর্ঘ। সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত ১৪ বছরে ৮২টি আইপিপি এবং ৩২টি রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ ১ লাখ কোটি টাকার বেশি দেওয়া হয়েছে।
এখানেই মূল প্রশ্ন। যে অর্থ দিয়ে কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছে, সেই সক্ষমতা সংকটের সময় কতটা কাজে লাগছে উল্লেখ করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, কোনো ধরনের প্রতিযোগিতা ছাড়াই বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকেরা কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন পেয়েছেন।
কর ছাড়, ভর্তুকি মূল্যে জ্বালানি, উচ্চ ক্যাপাসিটি চার্জ (রেন্টাল ভাড়া), প্রকল্পের জমি, ঋণগ্রহণে সহযোগিতসহ সরকারের কাছ থেকে তারা নানান সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। এখন যখন একটা জাতীয় দুর্যোগ সময়, সরকার জ্বালানি সংকটে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না তখন তারা সরকারের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এটা তো মেনে নেওয়া যায় না। যে অর্থ দিয়ে কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছে, সেই সক্ষমতা সংকটের সময় কতটা কাজে লাগছে তা বিবেচনার সময় এখন এসেছে।
কারণ সক্ষমতা থাকা এবং বাস্তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা এক বিষয় নয়। তিনি বলেন, একটি কেন্দ্র ১ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার হলেও গ্যাসের অভাবে যদি ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পারে, তাহলে বাকি সক্ষমতা কার্যত অব্যবহৃত। আবার কেন্দ্রটি যদি চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে প্রস্তুত অবস্থায় থাকে, তাহলে ক্যাপাসিটি পেমেন্টের প্রশ্নটি থেকে যায়।
এটা দিয়েই বেসরকারি কেন্দ্র মালিকেরা সরকারকে দুঃসময়ে জিম্মি করে রেখেছে। সরকারের হাত-পা বাঁধা চুক্তিতে : বর্তমান সরকার বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে আগের সরকারের করা চুক্তি পুনর্বিবেচনার কথা বললেও বাস্তবতা খুব সহজ নয়। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগের সরকারের সময় করা অনেক চুক্তিতে সার্বভৌম গ্যারান্টি দেওয়া হয়েছিল।
ফলে এসব চুক্তি একতরফাভাবে বাতিল বা পরিবর্তন করা সহজ নয়। এর জন্য আইনি প্রক্রিয়া প্রয়োজন। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যুতের বিশেষ আইন বাতিল করেছিল, কিন্তু যেগুলো চুক্তি হয়ে আছে সেগুলো এখনই বাতিল করা সম্ভব নয় জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিগত সরকার আমাদের জন্য কিছু গলার কাঁটা রেখে গেছে। এর মধ্যে বেশ কিছু বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, যারা উৎপাদন না করেও বছরের পর বছর ক্যাপাসিটি চার্জ নিচ্ছে, যা আমাদের কাছে এখন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এতে জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এই সময়ে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকেরাও আমাদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন না। এমনটি তো কাম্য নয়। সরকার এখন অনেকটা এমন অবস্থায় বিদ্যুৎ নেই, টাকা নেই; কিন্তু চুক্তির দায় আছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিপুল বকেয়া। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া ৫২ হাজার কোটি টাকা। ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বিদ্যুৎ আমদানির বিপরীতে মোট বকেয়া ছিল প্রায় ৫২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা, যার পুরোটাই আমাদের জন্য গলার কাঁটা।
‘নীরব দর্শক’ কেন? বর্তমান সংকটের সময় বেসরকারি কেন্দ্রগুলোকে নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো— সরকারের জরুরি বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে তাদের সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানোর ব্যবস্থা কতটা কার্যকর? একটি কেন্দ্রের উৎপাদন না করার পেছনে অবশ্যই নানা কারণ থাকতে পারে— গ্যাস না থাকা, কয়লা না পাওয়া, ডলারের সংকট, ঋণপত্র খোলা নিয়ে সমস্যা, কারিগরি ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণ বা চুক্তিগত সীমাবদ্ধতা।
তবে সংকট যখন জাতীয় পর্যায়ে, তখন প্রতিটি কেন্দ্রের সর্বোচ্চ সক্ষমতা নিয়ে সরকারের পাশে দাঁড়ানো উচিত উল্লেখ করে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর এখন ‘মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়ার মতো’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে সরকার একদিকে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের আর্থিক দায় থেকে বের হতে পারছে না, অন্যদিকে জ্বালানি সংকটে কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালাতেও পারছে না।
ফলে জনগণের অর্থ দিয়ে সক্ষমতা তৈরি ও ধরে রাখা হলেও সংকটের সময়ে তার পূর্ণ সুফল জনগণ পাচ্ছে না। ঝুঁকি ও আর্থিক দায় রাষ্ট্রের, কিন্তু সংকটের সময়ে উৎপাদন নিশ্চিত করার ক্ষমতা ও চুক্তির শর্তের মধ্যে সরকারের বাস্তব নিয়ন্ত্রণ সীমিত। নতুন চুক্তিতেও কি পুরোনো ভুল : অন্যদিকে সরকার নতুন করে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে চুক্তি করছে।
২০২৬ সালের মে মাসে ১২টি আইপিপির সঙ্গে ৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি হয়েছে। এসব প্রকল্পে গড় ট্যারিফ ধরা হয়েছে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টায় ৭ দশমিক ৮০ সেন্ট বা প্রায় ৯ টাকা ১২ পয়সা। সরকার বলছে, আগের প্রকল্পগুলোর তুলনায় এই দর প্রায় ২ দশমিক ৫ সেন্ট কম। এখানে অবশ্যই ইতিবাচক দিক রয়েছে— কম ট্যারিফে বিদ্যুৎ কেনা গেলে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় কমতে পারে।
কিন্তু নতুন প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রেও প্রশ্ন থাকছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এর মধ্যে ক্যাপাসিটি চার্জ কত, চুক্তির মেয়াদ কত, ডলার ও মুদ্রা বিনিময় ঝুঁকি কে বহন করবে, জ্বালানি না থাকলে কী হবে, কেন্দ্র উৎপাদন না করলে অর্থ পরিশোধের শর্ত কী, সরকার কি প্রয়োজন অনুযায়ী চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনা করতে পারবে— এসব প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার না হলে পুরোনো সমস্যাই নতুন চুক্তিতে ফিরে আসার আশঙ্কা থাকবে বলে মনে করছেন তারা।
তবে কেউ যে ইচ্ছে করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখছে, বিষয়টি এমন নয় দাবি করে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র (আইপিপি) মালিকদের সংগঠনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জ্বালানি সংকট এখন বিশ্বজুড়ে। আমাদের যেসব বিদ্যুৎকেন্দ্র কয়লাভিত্তিক বা গ্যাসভিত্তিক, সেগুলো তো জ্বালানি সংকটেই ভুগছে। যেমন সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ভুগছে।
তবে আমরা সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে আন্তরিক। সরকারের যেকোনো নির্দেশনা মানতে রাজি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকেরা।





















