বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) চিঠি উৎসব ও স্ট্যাম্প প্রদর্শনী হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, দিনাজপুরের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে দিনব্যাপী এ আয়োজন চলে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর ডাক বিভাগের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মো. রশিদুল হাসান।
আলোচনায় বক্তারা ডাক বিভাগের ইতিহাস ও বর্তমান সময়ে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে কথা বলেন। উপাচার্য ডাক সেবা টিকিয়ে রাখার গুরুত্বের কথা বলেন এবং অতীতের স্মৃতিচারণা করেন। ডাক বিভাগের প্রতিনিধিরা জানান, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিভাগের সেবার ধরন বদলাচ্ছে। সম্প্রতি দিনাজপুর থেকে প্রচুর লিচু ডাকের মাধ্যমে সারা দেশে পাঠানো হয়েছে। এতে স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কৃষকেরা উপকৃত হয়েছেন।
‘ উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল চিঠি লেখা। মাত্র ১০ টাকায় শিক্ষার্থীরা প্রিয়জনকে বিশেষ ডাক সেবায় চিঠি পাঠান। ডিজিটাল যোগাযোগের এই সময়ে হাতে লেখা চিঠির আমেজ পেয়ে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠেন। প্রদর্শনীতে বিভিন্ন সময়ের ঐতিহ্যবাহী ও স্মারক ডাকটিকিট রাখা হয়। এর মধ্যে ছিল ১, ২, ৩, ৪, ৫, ১০ ও ২০ টাকা মূল্যমানের টিকিট। তরুণ প্রজন্মকে ডাকটিকিটের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এ উদ্যোগ প্রশংসা পেয়েছে।
অনুষ্ঠানস্থলে বসানো স্টলে পাটের ব্যাগ, ডায়েরি, ক্যালেন্ডার এবং ছোট-বড় লেটার বক্স বিক্রি হয়। পোস্টার ও ব্যানারে অভ্যন্তরীণ ডাক, রেজিস্ট্রি চিঠি, স্পিড পোস্ট, পার্সেল, বৈদেশিক ডাক, সঞ্চয় হিসাব ও সঞ্চয়পত্র, ডাক এবং ‘নগদ’ সেবার তথ্য তুলে ধরা হয়। ‘এক ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, প্রচলিত ডাক সেবা ও নতুন প্রযুক্তির সমন্বয়ে ডাক বিভাগ আরও সমৃদ্ধ হবে।





















