দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক-মহাসড়ক বেহাল হওয়ায় চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা। বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিত বাঁক, গর্ত। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় কাঁচা রাস্তায় সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা ও জলাবদ্ধতা। এতে বাড়ছে দুর্ঘটনা, নষ্ট হচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রাংশ। দ্রুত এসব সড়ক সংস্কারের আশ্বাস এলিজইডি কর্তৃপক্ষের।
খানাখন্দে ভরা বরিশালের সড়ক-মহাসড়ক। জেলার প্রবেশদ্বার ভুরঘাটা থেকে মূল শহরে যেতে বেশিরভাগ সড়কই ব্যবহার অনুপযোগী। এখান থেকে মহানগরী পর্যন্ত ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে ৩৬ কিলোমিটারই খানাখন্দে ভরা।
ঝালকাঠি সদরের ১১টি সড়কে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার হয়নি। বর্ষায় জলাবদ্ধতায় পোহাতে হয় দুর্ভোগ।
ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জ অংশে অপরিকল্পিত বাঁকের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। গত আট মাসে অর্ধশতাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৩৭। সড়ক দুটি চার লেন করার দাবি স্থানীয়দের।
মাদারীপুর-গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় কাঁচা সংযোগ সড়কে প্রায়ই মোটরসাইকেল ও ভ্যান উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে।
মোংলা-খুলনা মহাসড়কে অসংখ্য ছোট-বড় খানাখন্দ। এছাড়া চিলা ইউনিয়নের এক কিলোমিটার রাস্তায় ভোগান্তির নেই শেষ।
নোয়াখালী হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কটি সংস্কারের নামে সরকারি টাকার অপচয় হলেও আসছে না কাজে। অসুস্থ রোগী আনা-নেয়ায় পড়তে হয় বিপাকে।
ফেনী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফ জামিল বলেন, ‘ফেনীতে অনেক গ্রামীণ সড়কই বেহাল। দ্রুত মেরামত ও পাকা করার কাজ চলছে।’
লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর মহাসড়কে প্রতিদিন অন্তত ১৩ হাজার যানবাহন চলাচল করে। মাত্র ১৮ ফুট চওড়া এ মহাসড়কে বিপজ্জনক বাঁক, অদক্ষ চালক আর ভারী ট্রাক চলাচলে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।





















