জয়পুরহাটের কালাইয়ে জমিজমা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে একটি বাঁশঝাড় থেকে প্রায় সাড়ে ৪০০টি অপরিপক্ব বাঁশ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আব্দুস সামাদসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে কালাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আজিজার রহমান (৫০)।
কেটে ফেলা বাঁশের আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মাত্রাই ইউনিয়নের তালুকদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিবদমান জায়গায় প্রায় ২০০টি কাটা বাঁশ পড়ে রয়েছে। ভুক্তভোগী আজিজার রহমানের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাত্রাই মৌজার এমআরআর খতিয়ান নম্বর ৩২৭ ও দাগ নম্বর ৬৫৮-এর ৬৬ শতক জমির মধ্যে চার শতক জমিতে তাদের পৈতৃক ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া একটি বাঁশঝাড় রয়েছে।
প্রায় ৭০ থেকে ৮০ বছর ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দলবদ্ধভাবে সেখানে প্রবেশ করে বাঁশঝাড়ের প্রায় ৪০০ থেকে ৪৫০টি অপরিপক্ব বাঁশ কেটে ফেলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, বাঁশ কাটার সময় বাধা দিতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
একই সঙ্গে জমিটি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ভুক্তভোগীর ছেলে মানিক বলেন, আমাদের বাঁশগুলো কেন কাটা হলো? তারা কাগজপত্র দেখিয়ে জমির মালিকানা প্রমাণ করতে পারলে আমরা জমি ছেড়ে দেব। কিন্তু অন্যায়ভাবে আমাদের বাঁশগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুস সামাদ বাঁশ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মানিক আমার নাতি হয়।
কীভাবে জমি পাবে, তারা কাগজপত্র নিয়ে বসুক। যার কাগজপত্র সঠিক, তারাই জমি ভোগদখল করবে। এ বিষয়ে কালাই থানার ওসি সাইদুল আলম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















