যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং ছাড়ার চার দিনের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘শুভেচ্ছাপত্র’ বিনিময় করেছেন। আজ মঙ্গলবার দুদিনের সফরে বেইজিং যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। এর আগে গত রোববার দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্বের ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ওই পত্র বিনিময় হয়।
চীনের শীর্ষ নেতা শি বলেন, মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ক্রমাগত গভীর ও সুদৃঢ় হয়েছে।
গতকাল সোমবার চীনের সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ও রুশ প্রেসিডেন্টদের সফরগুলো দেখিয়েছে যে, বেইজিং দ্রুত বিশ্ব কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে।
পশ্চিমা কূটনীতিক ও বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার সঙ্গে চীনের গভীর সম্পর্ক পশ্চিমের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়েছে, বিশেষ করে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার অভিযানের পর থেকে। তখন থেকে রাশিয়ার প্রতি চীনের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন মস্কোর হামলা চালিয়ে যেতে সহায়তা করে আসছে।এ দুই নেতা ৪০ বারেরও বেশি সাক্ষাৎ করেছেন, যা পশ্চিমা নেতাদের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের সাক্ষাতের সংখ্যাকে বহুগুণে ছাড়িয়ে গেছে।
এর আগে গত শনিবার ক্রেমলিন জানায়, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুদিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন।
ক্রেমলিনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সফরকালে পুতিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যে ‘ব্যাপক অংশীদারত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতা অধিকতর জোরদার করার’ উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।
পুতিন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করবেন বলে নির্ধারিত রয়েছে।
রুশ বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, পুতিনের এ সফরটি ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত মস্কো-বেইজিংয়ের একটি অন্যতম প্রধান চুক্তি ‘গুড-নেইবারলিনেস অ্যান্ড ফ্রেন্ডলি কোঅপারেশন’ (সদ্ভাব ও বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা) চুক্তির ২৫তম বার্ষিকী উদযাপনের সঙ্গে মিলিয়ে সূচি করা হয়েছে।
প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম বেইজিং সফর শেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীন ত্যাগ করার ঠিক এক দিন পরই পুতিনের এ আসন্ন সফরের খবরটি সামনে এলো।



























