মাদারীপুরের শিবচরে ঝোপের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তার কাছ থেকে নিহত শাম্পা খাতুনের স্বর্ণের নাকপিন, রুপার গলার চেইন, জুতা ও পোড়ানো অবস্থায় ওড়না উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ আগস্ট সকালে শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি এলাকায় একটি ঝোপের পাশ থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। নিহতের নাম শাম্পা খাতুন (২৮)। তার এক বছর বয়সী ছেলে আবিরও ওই সময় থেকে নিখোঁজ ছিল।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ছামরুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) শিবচর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বাখরেরকান্দি থেকে ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক শাম্পা খাতুনকে হত্যার পর তার এক বছর বয়সী ছেলে আবিরকে আড়িয়াল খাঁ সেতু থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
তবে শিশুটির মরদেহ এখনো উদ্ধার হয়নি। তাকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে, শাম্পা খাতুনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি চিকিৎসা পরীক্ষার প্রতিবেদন ও তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে। সহকারী পুলিশ সুপার, শিবচর সার্কেল মো. সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


















