কোটচাঁদপুরের মল্লিকপুর গ্রামের সাপমারি মাঠে আপন চাচাতো ভাইয়ের দায়ের কোপে তবিবর রহমান (৪৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি খুন হয়েছেন। রোববার সকাল ৬টা ৩০ মিনিটের সময় এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত তবিবর ওই গ্রামের নবী উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।
পারিবারিক বিরোধীদের জেরে এ ঘটনা বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মৃতের ভাই জিয়ার রহমান বলেন, তবিবর রহমান মানষিক ভারসাম্য হীন মানুষ। রোববার সকালে আমার চাচিকে একটা লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমার চাচা গফুর হোসেন, চাচাতো ভাই শাকিল হোসেন ও উজির হোসেন ভাইকে লাঠি ও দা দিয়ে ধাওয়া দেন। এ সময় আমার ভাই দৌড়ে মল্লিকপুরের সাপমারি মাঠে চলে যান।
এরপর সেখানে গিয়ে তাকে ধরে ফেলে লাঠি দিয়ে আঘাত করে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর আমার চাচা গফুর হোসেন তাঁর হাতে থাকা দা দিয়ে পেটে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তবিবর রহমান। সে কোটচাঁদপুরের মল্লিকপুর গ্রামের নবী ছদ্দিনের ছেলে। দুই ছেলে এক মেয়ে তার। এরমধ্যে খুন হয়েছে তবিবর রহমান। এদিকে ঘটনার পর থেকে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন চাচা গফুর হোসেন, চাচাতো ভাই উজির ও শাকিল হোসেন।
প্রতিবেশী শিমুল হোসেন, তবিবর রহমান খুব ভালো ছাত্র ছিলেন। খেলাধুলাসহ সব কাজেই পারদর্শী ছিলেন তিনি। বিয়ের পর বউ চলে যায়। এরপর থেকে মানুসিক রোগী হয়ে যায়। মামাতো ভাই আব্দুল কুদ্দুস বলেন, জিয়ার রহমান আগের শত্রুতার সুবিধা নিতে গফুর খুন করেছেন বলে বলছেন। তবে প্রকৃতভাবে খুন করেছেন গফুরের ছেলে শাকিল হোসেন। তিনি বলেন, তবিবর রহমান দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মানুষিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় আছে।
রোববার সকালে আমার মামনিকে লাঠি দিয়ে আঘাত করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কোটচাঁদপুর থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, জমিজমা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মূলত তবিবর রহমান খুন হয়েছে। তবে খুনি শাকিল হোসেনকে এখনো পর্যন্ত আমরা আটক করতে পারেনি। তবে তাদের ধরতে অভিযান চলমান। আর বিষয়টি নিয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।





















