3:33 pm, Friday, 6 November 2026

কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে ডিলারের গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেলেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা সংঘবদ্ধ হয়ে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেছেন। এ সময় কৃষকেরা মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যান।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিলেও বাকি সার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের সার দিতে গড়িমসি করেন।

তাঁর মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা। রোববার সকাল থেকেই ডিলার পয়েন্টে সার কেনার জন্য দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে সার বের করে নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় তারা প্রায় ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা বাকি সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা। উত্তোলনও আরও কম ছিল। ফলে সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকেই কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও বলেন, কৃষকেরা মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে গেছেন।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

শীতের শুরুতেই নয়াদিল্লিতে বিপজ্জনক পর্যায়ে বায়ুদূষণ, ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো শহর

কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে ডিলারের গুদাম ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেলেন বিক্ষুব্ধ কৃষকরা

Update Time : 06:19:05 pm, Sunday, 23 August 2026

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কৃষকেরা সংঘবদ্ধ হয়ে একটি ডিলার পয়েন্টের গুদামের দরজা ভেঙে প্রায় ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেছেন। এ সময় কৃষকেরা মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যান।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিলেও বাকি সার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, শিলখুড়ি ইউনিয়নের ডিলার শাহ আমানত ট্রেডার্সের মালিক তাইফুর রহমান মুকুল পর্যাপ্ত পরিমাণ সার বরাদ্দ পেলেও কৃষকদের সার দিতে গড়িমসি করেন।

তাঁর মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা সার। এর মধ্যে গুদামে মজুদ ছিল ৩৪০ বস্তা। রোববার সকাল থেকেই ডিলার পয়েন্টে সার কেনার জন্য দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা গুদামের দরজা ভেঙে সার বের করে নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় তারা প্রায় ১৯৭ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং গুদামে থাকা বাকি সার রক্ষা করে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ওই ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। বিপরীতে মোট বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৩২০ বস্তা। উত্তোলনও আরও কম ছিল। ফলে সার না পাওয়ার শঙ্কা থেকেই কৃষকেরা গুদাম থেকে সার নিয়ে গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও বলেন, কৃষকেরা মোট ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে গেছেন।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।