কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ঋণের টাকা পরিশোধের চাপে হনুফা বেগম নামে এক গৃহবধূর ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রোববার ২৩ আগস্ট সকাল পৌর শহরের ভৈরবপুর উত্তর পাড়া এলাকায় আলীম উদ্দিন মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ গামছা দিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার এসআই হাফিজুর রহমান। নিহত গৃহবধূ ভৈরব উত্তর পাড়া এলাকার রিকশা গ্যারেজ মেকার আক্রাম হোসেনের স্ত্রী। স্থানীয়দের ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ হনুফা বেগম ৩ সন্তানের জননী। দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে এক ছেলেকে বিভিন্ন এনজিও ও বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের কাছ থেকে ধারদেনা করে টাকা এনে প্রবাসে পাঠায়।
ওই ছেলে সুবিধা করতে না পারায় আরেক ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে দালালকে টাকা দেয়। দালালচক্র ছেলেকে বিদেশ নিতে পারেনি। সেই টাকাও দালাল থেকে উদ্ধার করতে না পেরে অসহায় হয়ে পড়ে। অন্যদিকে বিভিন্ন এনজিওসহ পাওনাদারদের চাপে কোন রাস্তা না পেয়ে নিজ ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে গামছা প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ বিষয়ে ভৈরব থানার এসআই হাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ঋণের চাপে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





















