1:32 pm, Monday, 24 August 2026

রংপুরে একই পরিবারের চার খুন: জবানবন্দি দিয়ে কারাগারে দুই আসামি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রংপুর মহানগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনের হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সেসব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

পরে তাদের প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোববার ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযুক্তরা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ চারজনকে হত্যার দায়ে দুই আসামির স্বীকারোক্তি

রংপুরে একই পরিবারের চার খুন: জবানবন্দি দিয়ে কারাগারে দুই আসামি

Update Time : 12:27:01 pm, Monday, 24 August 2026

রংপুর মহানগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনের হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার দুই যুবক আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

তারা নিজেদের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা আরও জানান, জবানবন্দিতে তারা হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সেসব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

পরে তাদের প্রিজনভ্যানে করে কারাগারে নেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে রোববার ভোরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযুক্তরা সম্পর্কে মামাতো-ফুফাতো ভাই। এ ঘটনায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রোববার (২৩ আগস্ট) কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।