4:24 pm, Monday, 24 August 2026

ন্যায্য অধিকার ও চাকরি নিয়মিতকরণের দাবিতে ঝালকাঠিতে গণপূর্ত কর্মচারীদের বিক্ষোভ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দীর্ঘদিন কাজ করেও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ এনে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন গণপূর্ত কর্মচারীরা। এই কর্মসূচি থেকে তারা চাকরি নিয়মিতকরণ, আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে রাজস্ব খাতে নিয়োগের জোর দাবি জানান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঝালকাঠি গণপূর্ত ভবন চত্বরে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ঝালকাঠি জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে তারা গণপূর্ত ভবন চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কর্মসূচি শেষ হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক ভিত্তিক ও ভাউচার কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করছেন।

কিন্তু দীর্ঘদিন কাজ করার পরও তাদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। এ-সংক্রান্ত আদালতের রায়ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে তাদের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়নের ঝালকাঠি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় কাজ করে আসছি। কিন্তু এখনো আমাদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। আদালতের রায়ও বাস্তবায়ন হয়নি। দ্রুত চাকরি নিয়মিতকরণ ও আদালতের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি রাজস্ব খাতে নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।

” ইউনিয়নের সভাপতি রাইসুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। একই প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর কাজ করেও তাদের চাকরির নিশ্চয়তা নেই। আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। ” কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মো. নুর আলম, আব্দুল বারেক, আনোয়ার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত শাহজাহান শিকদারের স্ত্রী বিউটি বেগম এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত শাহ আলম সিকদারের কন্যা তাসনুবা আক্তার এবং জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শাখার কর্মচারীরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

স্থলপথে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে বাংলাদেশ ও ভারতের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা

ন্যায্য অধিকার ও চাকরি নিয়মিতকরণের দাবিতে ঝালকাঠিতে গণপূর্ত কর্মচারীদের বিক্ষোভ

Update Time : 02:53:43 pm, Monday, 24 August 2026

দীর্ঘদিন কাজ করেও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ এনে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন গণপূর্ত কর্মচারীরা। এই কর্মসূচি থেকে তারা চাকরি নিয়মিতকরণ, আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে রাজস্ব খাতে নিয়োগের জোর দাবি জানান।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঝালকাঠি গণপূর্ত ভবন চত্বরে বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়ন ঝালকাঠি জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে তারা গণপূর্ত ভবন চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কর্মসূচি শেষ হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে দৈনিক ভিত্তিক ও ভাউচার কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করছেন।

কিন্তু দীর্ঘদিন কাজ করার পরও তাদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। এ-সংক্রান্ত আদালতের রায়ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, আউটসোর্সিং কর্মচারীদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়োগ দিতে হবে। একই সঙ্গে তাদের রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান তারা।

বাংলাদেশ গণপূর্ত কর্মচারী ইউনিয়নের ঝালকাঠি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বিভিন্ন শাখায় কাজ করে আসছি। কিন্তু এখনো আমাদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। আদালতের রায়ও বাস্তবায়ন হয়নি। দ্রুত চাকরি নিয়মিতকরণ ও আদালতের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি রাজস্ব খাতে নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।

” ইউনিয়নের সভাপতি রাইসুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। একই প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর কাজ করেও তাদের চাকরির নিশ্চয়তা নেই। আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। ” কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মো. নুর আলম, আব্দুল বারেক, আনোয়ার হোসেন, মো. রফিকুল ইসলাম, মৃত শাহজাহান শিকদারের স্ত্রী বিউটি বেগম এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত শাহ আলম সিকদারের কন্যা তাসনুবা আক্তার এবং জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শাখার কর্মচারীরা।