1:15 am, Monday, 9 November 2026

সুস্বাদু সবজি শাপলা, বিনা পুঁজিতে বাড়তি আয়

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

গোপালগঞ্জের বিস্তীর্ণ বিলে ফোটে সাদা শাপলা। চোখজুড়ানো সৌন্দর্যের পাশাপাশি শাপলাকে ঘিরে গড়ে ওঠে মৌসুমি বাজার। এখানকার শাপলা দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করে চার মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য করে থাকে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ বাজার আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলছে কৃষি বিভাগ।

সিংগা বিল, চান্দার বিল, মোল্লার বিলসহ গোপালগঞ্জের শতাধিক বিল ও নিম্নাঞ্চল এখন ঢেকে আছে সাদা শাপলার চাদরে।

প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয়া এই শাপলাই হয়ে ওঠে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের বাড়তি আয়ের উৎস।

আষাঢ় মাসের প্রথম থেকেই শুরু হয় শাপলা সংগ্রহ। প্রতিদিন ভোরে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে বিলের পানিতে নেমে পড়েন স্থানীয়রা। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাপলা তুলে তা নিয়ে যান স্থানীয় হাট-বাজারে বা পাইকারদের কাছে।

শুধু স্থানীয় বাজারেই থেমে নেই এই শাপলা বাণিজ্য। বিভিন্ন বিল থেকে সংগ্রহ করা শাপলা যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মামুনুর রহমান বলেন, ‘আষাঢ় থেকে আশ্বিন-প্রায় চার মাস চলে শাপলার বেচাকেনা। পুরো মৌসুমে বিক্রি হয় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার শাপলা।’

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে শাপলা ঘিরে বিকশিত হবে এখানকার অর্থনীতি। কর্মহীন মানুষের জন্য তৈরি হবে টেকসই আয়ের পথ।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

যশোরে ভুয়া চিকিৎসকদের দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক

সুস্বাদু সবজি শাপলা, বিনা পুঁজিতে বাড়তি আয়

Update Time : 01:52:17 am, Sunday, 6 September 2026

গোপালগঞ্জের বিস্তীর্ণ বিলে ফোটে সাদা শাপলা। চোখজুড়ানো সৌন্দর্যের পাশাপাশি শাপলাকে ঘিরে গড়ে ওঠে মৌসুমি বাজার। এখানকার শাপলা দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করে চার মাসে কোটি টাকার বাণিজ্য করে থাকে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ বাজার আরও সমৃদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলছে কৃষি বিভাগ।

সিংগা বিল, চান্দার বিল, মোল্লার বিলসহ গোপালগঞ্জের শতাধিক বিল ও নিম্নাঞ্চল এখন ঢেকে আছে সাদা শাপলার চাদরে।

প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমির জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেয়া এই শাপলাই হয়ে ওঠে কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের বাড়তি আয়ের উৎস।

আষাঢ় মাসের প্রথম থেকেই শুরু হয় শাপলা সংগ্রহ। প্রতিদিন ভোরে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে বিলের পানিতে নেমে পড়েন স্থানীয়রা। রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে শাপলা তুলে তা নিয়ে যান স্থানীয় হাট-বাজারে বা পাইকারদের কাছে।

শুধু স্থানীয় বাজারেই থেমে নেই এই শাপলা বাণিজ্য। বিভিন্ন বিল থেকে সংগ্রহ করা শাপলা যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মামুনুর রহমান বলেন, ‘আষাঢ় থেকে আশ্বিন-প্রায় চার মাস চলে শাপলার বেচাকেনা। পুরো মৌসুমে বিক্রি হয় ৫ থেকে ৬ কোটি টাকার শাপলা।’

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, প্রশিক্ষণ ও আধুনিক বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে শাপলা ঘিরে বিকশিত হবে এখানকার অর্থনীতি। কর্মহীন মানুষের জন্য তৈরি হবে টেকসই আয়ের পথ।