কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের সাচাইলে মরহুম হাজী গোলাম হুসেন মহাজন ও তার সহধর্মিণী মরহুমা আছিয়া খাতুনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল, অভিভাবক সম্মেলন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাচাইলের জামিয়া আছিয়া খাতুন লিল-বানাত মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন জামিয়াতুল ইসলাহ আল মাদানিয়া মাদরাসার শায়খুল হাদীস মুফতি মুসলেহ উদ্দিন কাসেমী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামিয়াতুস সুন্নাহ সেকান্দর নগরের পরিচালক মাওলানা ফখর উদ্দিন,তানজিমুল মাদারিসিল কওমিয়ার সহকারী পরিচালক মাওলানা বুরহান উদ্দিন, জামিয়াতুল ইসলাহ আল মাদানিয়ার শিক্ষা সচিব মাওলানা বোরহান উদ্দিন আহমাদ, সেকান্দর নগর সাহেব বাড়ি মাদরাসার পরিচালক মাওলানা সৈয়দ আবু সায়েম, সওতুল হেরা হাফিজিয়া মাদরাসার পরিচালক মাওলানা আব্দুর রউফ এবং মারকাযুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার পরিচালক মুফতি নূরুদ্দীন আহমদসহ বিভিন্ন মাদরাসার শিক্ষক ও আলেম-ওলামা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল্লাহ মায়মুন। সঞ্চালনা করেন মাওলানা হুসাইন আহমদ ও মুফতি নূরুল আলম। আলোচনায় বক্তারা মরহুম হাজী গোলাম হুসেন মহাজন ও মরহুমা আছিয়া খাতুনের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব এবং সন্তানদের শিক্ষাজীবনে অভিভাবকদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
পরে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া ২৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের পাশাপাশি নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে মরহুম হাজী গোলাম হুসেন মহাজন ও তার সহধর্মিণী মরহুমা আছিয়া খাতুনসহ সব প্রয়াত মুসলিমের রুহের মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, জামিয়া আছিয়া খাতুন লিল-বানাতে বর্তমানে ২৪ জন শিক্ষক ও ৯০৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। মাদরাসাটিতে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।





















