সাতক্ষীরায় ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার গতি বৃদ্ধি, মামলার জট নিরসন এবং পুলিশ ও বিচার বিভাগের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ‘পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুমে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাঈদুর রহমান।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। সম্মেলনে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সার্বিক গতিশীলতা আনয়ন এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুসংহত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ করে আদালতে পেন্ডিং প্রসেস (গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও সমন) দ্রুত তামিল করা, নির্দিষ্ট সময়ে সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিতকরণ, মামলার অনুসন্ধান ও সুষ্ঠু তদন্ত কার্যক্রমে বিদ্যমান নানা সমস্যা নিরসন এবং অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
এছাড়া বিজ্ঞ বিচারক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় বিচারপ্রার্থী মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাঈদুর রহমান বলেন, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে ফলপ্রসূ সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।
পারস্পরিক পেশাগত সহযোগিতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা দূর করে সাধারণ মানুষের দোড়গোড়ায় দ্রুততম সময়ে বিচারিক সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। ” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, “অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও বিচারিক কার্যক্রম সুগম করতে জেলা পুলিশ সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
পরোয়ানা তামিল ও সময়মতো আদালতে সাক্ষী উপস্থাপনসহ বিচারিক সহায়তা প্রদানে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত থাকবে। ” উক্ত সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ।













