মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলীয় হিদালগো রাজ্যে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে দুই আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে পাচুকা জাতীয় বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের মাত্র এক মিনিটের মাথায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মেক্সিকোর ফেডারেল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সি (এএফএসি) এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গ্রুপো অ্যারোস্পেসিয়াল অ্যাভস্পেস পরিচালিত সেসনা-২১০ মডেলের বিমানটি স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় যাত্রা শুরু করে। বিমানটির গন্তব্য ছিল মোরেলোস রাজ্যের কুয়েরনাভাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
তবে আকাশে ওড়ার পরপরই বিপত্তি ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, রানওয়ে ২১-এর শুরুর স্থান থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে পৌঁছানোর পর উচ্চতায় ওঠার সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে। হিদালগো রাজ্যের রাজধানী পাচুকার ভেন্তা প্রিয়েতা এলাকার তেজোনতলে অ্যাভিনিউতে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলটি বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছাকাছি একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত।
দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা দুই আরোহীই প্রাণ হারান। তবে নিহতদের নাম-পরিচয় এবং বিমানে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে পাচুকা বিমানবন্দর কমান্ডের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও জরুরি কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করেন তারা।
এদিকে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে এএফএসি। তবে বিমানটিতে কোনো কারিগরি ত্রুটি ছিল কি না, দুর্ঘটনার সময় আবহাওয়ার অবস্থা কেমন ছিল কিংবা অন্য কোনো বিষয় এর জন্য দায়ী কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। এ ছাড়া বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আশপাশের সড়কে থাকা কোনো পথচারী হতাহত হয়েছেন কি না, কিংবা কাছাকাছি থাকা ভবন ও যানবাহনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, সেসনা-২১০ হলো এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট হালকা বিমান। ব্যক্তিগত ভ্রমণসহ বিভিন্ন ধরনের বেসামরিক কাজে সাধারণত এ মডেলের বিমান ব্যবহার করা হয়ে থাকে।




















