10:28 am, Saturday, 7 November 2026

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়, মানা হচ্ছে না সরকারি নিষেধাজ্ঞা

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়, মানা হচ্ছে না সরকারি নিষেধাজ্ঞা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দীর্ঘ ১০ মাসের বিরতি শেষে আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ। তবে পর্যটক পরিবহন, যাত্রী সংখ্যা নির্ধারণ এবং দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সরকারের দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পর্যটকদের ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যান করা হচ্ছে না। অন্যদিকে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই পর্যটকরা ঘুরতে যাচ্ছেন ছেঁড়াদিয়ায়। শুক্রবার পর্যটন মৌসুমের দ্বিতীয় দিনে এমভি বারো আউলিয়ার পাশাপাশি এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ নামের আরও দুটি জাহাজ সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল করেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এদিন তিনটি জাহাজে মোট ১ হাজার ৬১২ জন পর্যটক দ্বীপটিতে গেছেন।

তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) হিসাবে পর্যটকের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩০ জন। আর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, এ সংখ্যা ১ হাজার ৫৫৪। শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাটে দায়িত্ব পালনকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল লতিফ জনী সমকালকে বলেন, তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার ১ হাজার ৬১২ জন পর্যটক সেন্টমার্টিনে গেছেন।

তিনি আরও জানান, জাহাজে ওঠার সময় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ইস্যু করা ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যান করা হচ্ছে না। ফলে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পর্যটকদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ সমস্যা সমাধানে ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যানের ব্যবস্থা চালু করতে মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। শিগগিরই এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল ও যাত্রীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে গঠিত বিশেষ তদারকি কমিটির আহ্বায়ক এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার সমকালকে বলেন, সেন্টমার্টিনকে কেন্দ্র করে সরকারের একাধিক নির্দেশনায় পরিবর্তন এসেছে। পাশাপাশি তদারকি কমিটির বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ তদারকি কমিটির কার্যক্রম চলছে কি না, জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, সেন্টমার্টিনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন।

শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে চলতি পর্যটন মৌসুমে প্রথমবারের মতো সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ছেঁড়াদিয়ায় পর্যটকদের ভিড় সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত এই দ্বীপের দক্ষিণে রয়েছে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন আরেকটি দ্বীপ ছেঁড়াদিয়া।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে সেখানে পর্যটকদের যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন শত শত পর্যটক সেখানে ঘুরতে যাচ্ছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছেঁড়াদিয়ায় গিয়ে দেখা যায়, দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা চলছে। কেউ চারদিকে ছড়িয়ে থাকা পাথরের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে মুহূর্তগুলো ধরে রাখছেন।

দ্বীপে পর্যটকদের জন্য যেসব বিধিনিষেধ রয়েছে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন না করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর—এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে।

পর্যটকদের পদচারণায় ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য দীর্ঘ বিরতির পর সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের আগমন শুরু হওয়ায় দ্বীপজুড়ে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুরা উপভোগ করছেন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। জীবনে প্রথমবার সমুদ্র দেখতে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তামান্না রহমান। তিনি বলেন, জীবনে প্রথমবার সমুদ্র দেখতে এসেছেন।

সেন্টমার্টিনের মতো মনোরম একটি জায়গায় আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। পুরো অভিজ্ঞতাটি তাঁর কাছে অসাধারণ। এর সঙ্গে দ্বীপে প্রথমবার এসেই ফুল উপহার পাওয়ায় আনন্দ আরও বেড়ে গেছে। ফারাহ খানম নামের আরেক পর্যটক বলেন, সেন্টমার্টিনের নীল সমুদ্রের অপূর্ব দৃশ্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে। এখানকার সুন্দর পরিবেশে অনেক ছবি তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

বিশেষ করে সেন্টমার্টিনে বেশি বেশি ছবি তুলে এই সুন্দর সময়গুলো স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে চান তিনি। এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের হোটেল-রিসোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কেফায়েত উল্লাহ জানান, পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির মুখে না পড়েন, নির্বিঘ্নে দ্বীপে চলাচল করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা পান, সে বিষয়ে তারা নজর রাখছেন। পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়, মানা হচ্ছে না সরকারি নিষেধাজ্ঞা

Update Time : 10:10:52 am, Saturday, 7 November 2026

দীর্ঘ ১০ মাসের বিরতি শেষে আবারও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ। তবে পর্যটক পরিবহন, যাত্রী সংখ্যা নির্ধারণ এবং দ্বীপের পরিবেশ রক্ষায় সরকারের দেওয়া বিভিন্ন নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

পর্যটকদের ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যান করা হচ্ছে না। অন্যদিকে, সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই পর্যটকরা ঘুরতে যাচ্ছেন ছেঁড়াদিয়ায়। শুক্রবার পর্যটন মৌসুমের দ্বিতীয় দিনে এমভি বারো আউলিয়ার পাশাপাশি এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ নামের আরও দুটি জাহাজ সেন্টমার্টিন রুটে চলাচল করেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এদিন তিনটি জাহাজে মোট ১ হাজার ৬১২ জন পর্যটক দ্বীপটিতে গেছেন।

তবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) হিসাবে পর্যটকের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩০ জন। আর বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, এ সংখ্যা ১ হাজার ৫৫৪। শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাটে দায়িত্ব পালনকালে পরিবেশ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল লতিফ জনী সমকালকে বলেন, তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, শুক্রবার ১ হাজার ৬১২ জন পর্যটক সেন্টমার্টিনে গেছেন।

তিনি আরও জানান, জাহাজে ওঠার সময় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের ইস্যু করা ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যান করা হচ্ছে না। ফলে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পর্যটকদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ সমস্যা সমাধানে ট্রাভেল পাসের কিউআর কোড স্ক্যানের ব্যবস্থা চালু করতে মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। শিগগিরই এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল ও যাত্রীদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে গঠিত বিশেষ তদারকি কমিটির আহ্বায়ক এবং কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার সমকালকে বলেন, সেন্টমার্টিনকে কেন্দ্র করে সরকারের একাধিক নির্দেশনায় পরিবর্তন এসেছে। পাশাপাশি তদারকি কমিটির বিষয়ে নতুন করে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ তদারকি কমিটির কার্যক্রম চলছে কি না, জানতে চাইলে ইউএনও বলেন, সেন্টমার্টিনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছেন।

শুক্রবার সকালে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে চলতি পর্যটন মৌসুমে প্রথমবারের মতো সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ছেঁড়াদিয়ায় পর্যটকদের ভিড় সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় আট বর্গকিলোমিটার। বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত এই দ্বীপের দক্ষিণে রয়েছে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন আরেকটি দ্বীপ ছেঁড়াদিয়া।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে সেখানে পর্যটকদের যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন শত শত পর্যটক সেখানে ঘুরতে যাচ্ছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছেঁড়াদিয়ায় গিয়ে দেখা যায়, দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা চলছে। কেউ চারদিকে ছড়িয়ে থাকা পাথরের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন, আবার কেউ মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে মুহূর্তগুলো ধরে রাখছেন।

দ্বীপে পর্যটকদের জন্য যেসব বিধিনিষেধ রয়েছে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ করা এবং বারবিকিউ পার্টির আয়োজন না করা। এ ছাড়া কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ। একই সঙ্গে সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর—এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকেও পর্যটকদের বিরত থাকতে হবে।

পর্যটকদের পদচারণায় ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য দীর্ঘ বিরতির পর সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের আগমন শুরু হওয়ায় দ্বীপজুড়ে আবারও প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভ্রমণপিপাসুরা উপভোগ করছেন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। জীবনে প্রথমবার সমুদ্র দেখতে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তামান্না রহমান। তিনি বলেন, জীবনে প্রথমবার সমুদ্র দেখতে এসেছেন।

সেন্টমার্টিনের মতো মনোরম একটি জায়গায় আসতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। পুরো অভিজ্ঞতাটি তাঁর কাছে অসাধারণ। এর সঙ্গে দ্বীপে প্রথমবার এসেই ফুল উপহার পাওয়ায় আনন্দ আরও বেড়ে গেছে। ফারাহ খানম নামের আরেক পর্যটক বলেন, সেন্টমার্টিনের নীল সমুদ্রের অপূর্ব দৃশ্য তাঁকে মুগ্ধ করেছে। এখানকার সুন্দর পরিবেশে অনেক ছবি তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।

বিশেষ করে সেন্টমার্টিনে বেশি বেশি ছবি তুলে এই সুন্দর সময়গুলো স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে চান তিনি। এদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের হোটেল-রিসোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কেফায়েত উল্লাহ জানান, পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির মুখে না পড়েন, নির্বিঘ্নে দ্বীপে চলাচল করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা পান, সে বিষয়ে তারা নজর রাখছেন। পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন—এটাই তাদের প্রত্যাশা।