দুই দেশের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যেই ট্রাম্পের এ বক্তব্য সামনে এসেছে। উভয় দেশ ও মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে আলোচনায় প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ওমানের সঙ্গে ‘পথটির ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক’ নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।
ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বাকেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিকে নিরাপত্তাহীন করে তোলার কারণগুলো এখনও বিদ্যমান। বিশেষ করে ইরান ও তার স্বার্থের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং অন্যান্য আগ্রাসী ও হুমকিমূলক পদক্ষেপ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
পরে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী ইরনাকে বলেন, নতুন এ পথটি অস্থায়ী হবে। এটি দুই থেকে চার মাস পর্যন্ত খোলা থাকতে পারে। তবে তিনি এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রণালিটি দিয়ে নৌচলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে মতবিরোধের অন্যতম প্রধান কারণ হলো, প্রণালিটি অতিক্রম করতে ইচ্ছুক জাহাজগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ইরানের হুমকি।
একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান প্রণালিটি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর পণ্যমূল্যের ওপর ৫ থেকে ৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের দাবি করছে। ওমান প্রায় ৩ শতাংশ শুল্ক নিয়ে আলোচনা করছে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন কোনো শুল্কই চায় না।
রয়টার্স জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এ চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজগুলোর ওপরও তেহরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।
সূত্র : বিবিসি




























