3:18 am, Friday, 7 August 2026

প্রতিদিন ১৫ মিনিট খালি পায়ে হাঁটলে মিলবে যেসব স্বাস্থ্য উপকার

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিট খালি পায়ে ঘাস, মাটি বা বালুর ওপর হাঁটলে শরীর ও মনের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক চার্জ পৃথিবীতে নিঃসৃত হতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রাকৃতিক বৈদ্যুতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে।

তারা জানান, এ প্রক্রিয়া কোষের ‘রিপোলারাইজেশন’ বা স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক অবস্থা পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখতে পারে। রিপোলারাইজেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোষে বৈদ্যুতিক ভারসাম্য পুনঃস্থাপিত হয়। এটি লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক চলাচলকে সহায়তা করতে পারে, যা রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটার সম্ভাব্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে মানসিক চাপ কমানো, শরীরকে শিথিল হতে সহায়তা করা, মানসিক স্বচ্ছতা ও আবেগগত সুস্থতা বাড়ানো এবং ভালো ঘুমে সহায়ক হওয়া। পাশাপাশি প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগী থাকতেও এটি সহায়তা করতে পারে।বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ঘাস, বালু, মাটি বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক ভূমির ওপর খালি পায়ে হাঁটা উচিত। প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সরাসরি মাটির সংস্পর্শে থাকার চেষ্টা করতে হবে। সকালে এই অভ্যাস করলে তুলনামূলক বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

তবে তারা মনে করিয়ে দেন, এসব সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে এখনও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলমান এবং সব দাবির পক্ষে শক্তিশালী চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ নেই। তাই খালি পায়ে হাঁটাকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, পায়ের স্নায়ুর সমস্যা বা পায়ে ক্ষত রয়েছে এমন ব্যক্তিদের খালি পায়ে হাঁটার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram নাগরিক সংগ্রাম

Nagorik Sangram | নাগরিক সংগ্রাম
Popular Post

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিয়া সিড ফ্ল্যাক্সসিড নাকি ইসবগুল

প্রতিদিন ১৫ মিনিট খালি পায়ে হাঁটলে মিলবে যেসব স্বাস্থ্য উপকার

Update Time : 11:40:16 am, Thursday, 6 August 2026

প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিট খালি পায়ে ঘাস, মাটি বা বালুর ওপর হাঁটলে শরীর ও মনের স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক চার্জ পৃথিবীতে নিঃসৃত হতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রাকৃতিক বৈদ্যুতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা মিলতে পারে।

তারা জানান, এ প্রক্রিয়া কোষের ‘রিপোলারাইজেশন’ বা স্বাভাবিক বৈদ্যুতিক অবস্থা পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখতে পারে। রিপোলারাইজেশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোষে বৈদ্যুতিক ভারসাম্য পুনঃস্থাপিত হয়। এটি লোহিত রক্তকণিকার স্বাভাবিক চলাচলকে সহায়তা করতে পারে, যা রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খালি পায়ে হাঁটার সম্ভাব্য উপকারিতার মধ্যে রয়েছে মানসিক চাপ কমানো, শরীরকে শিথিল হতে সহায়তা করা, মানসিক স্বচ্ছতা ও আবেগগত সুস্থতা বাড়ানো এবং ভালো ঘুমে সহায়ক হওয়া। পাশাপাশি প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ বাড়িয়ে বর্তমান মুহূর্তে মনোযোগী থাকতেও এটি সহায়তা করতে পারে।বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, ঘাস, বালু, মাটি বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক ভূমির ওপর খালি পায়ে হাঁটা উচিত। প্রতিদিন অন্তত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সরাসরি মাটির সংস্পর্শে থাকার চেষ্টা করতে হবে। সকালে এই অভ্যাস করলে তুলনামূলক বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

তবে তারা মনে করিয়ে দেন, এসব সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে এখনও বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলমান এবং সব দাবির পক্ষে শক্তিশালী চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ নেই। তাই খালি পায়ে হাঁটাকে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, তবে এটি কোনো চিকিৎসার বিকল্প নয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, পায়ের স্নায়ুর সমস্যা বা পায়ে ক্ষত রয়েছে এমন ব্যক্তিদের খালি পায়ে হাঁটার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস