মিচেল স্টার্কের বোলিং তোপে মাত্র ১২ রানে নেই ৫ উইকেট- ম্যাকাইয়ে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল বিভীষিকাময়। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানেই বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় কিনা, সেই শঙ্কার মেঘও তখন উঁকি দিচ্ছে।
তবে সেই শঙ্কা কাটিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন (২৬) রানে পেরিয়ে ৬ উইকেটে ৩৫ রানে প্রথম সেশন শেষ করেছে টাইগাররা। তবে এখনো আরেকটা লজ্জা এড়ানো বাকি। টেস্টে এর আগে এক ইনিংসে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন সংগ্রহ ৪৩। তবে শুরুর সেই ধাক্কা বাংলাদেশ যেভাবে সামলে উঠেছে, তাতে এটিও পেরিয়ে যাওয়ার আশাই দেখাচ্ছে বাংলাদেশ।
ম্যাকাইতে বাংলাদেশের দুঃস্বপ্নের শুরুটা ইনিংসের প্রথম বলেই। স্টার্কের ফুল লেন্থের বল মিডউইকেটে খেলতে চেয়েছিলেন সাদমান। তবে সেটা ঠিকঠাক ব্যাটে লাগাতে পারেননি। গালিতে ধরা পড়েন ক্যামেরন গ্রিনের হাতে।
স্টার্কের পরের ওভারের প্রথম বলে স্লিপে ক্যাচ দেন তানজিদ তামিম। পরের বলেই এলবিডাব্লিউ নাজমুল হোসেন শান্ত। ৯ রানে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের। তিন ব্যাটসম্যানের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি। আর স্টার্ক তখন হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে।
মুশফিকের কল্যাণে হ্যাটট্রিকের হাত থেকে বাঁচা গেলেও স্টার্কের তোপ থেকে রক্ষা মেলেনি। ইনিংসের ৫ম ওভারে মুমিনুলের (৯) পর সপ্তম ওভারে লিটন দাসকেও (০) ড্রেসিংরুমের পথ ধরার বাঁহাতি পেসার। বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে তখন ১২ রানে ৫ উইকেট নেই। টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড বাংলাদেশ নতুন করে লিখে কি না, সেই আলোচনাও হচ্ছিল।
তবে মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদের কল্যাণে সেই শঙ্কা এড়ায় বাংলাদেশ। মাঝে দলকে ২১ রানে রেখে বিদায় নিয়েছেন মুশফিক (৫)। বর্তমানে মিরাজ ১১ রানে ও হাসান ৮ রানে ব্যাটিং করছেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ১১ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। আর অন্য উইকেটটি নিয়েছেন প্যাট কামিন্স।





















