5:58 pm, Friday, 6 November 2026

বগুড়ায় চুরির অভিযোগে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে যুবককে মুক্তি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসির দোকান থেকে ওষুধ চুরির সময় আলামিন হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েছেন ফার্মেসির মালিক। অভিযুক্ত আলামিন উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সান্তাহার পূর্ব ঢাকারোড এলাকায় জহুরুল ইসলামের তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপ থেকে তাকে আটক করা হয়। তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপের স্বত্বাধিকারী জহুরুল ইসলাম জানান, বেলা ১২টার দিকে তিনি দোকান খুলে রেখে বাথরুমে যান। এই সুযোগে আলামিন তার ওষুধের দোকানের গেটে চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ চুরি করছিলেন।

এ সময় চেয়ার ভেঙে তিনি পড়ে যান। বিষয়টি পাশের দোকানদার মাসুদ দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে ওই যুবককে ধরে ফেলেন। এরপর আশপাশের লোকজন একত্র হয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আলামিন চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর স্থানীয়রা শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন। পাশের দোকানি জিল্লুর রহমান মামুন জানান, অভিযুক্তকে শাস্তিস্বরূপ দীর্ঘ সময় নামাজ না পড়ানো হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করতেন।

এ জন্য তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়। পাশাপাশি নামাজ পড়ে যেন অভিযুক্ত আলামিন তার এই অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হন এবং পরবর্তীতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন, সে উদ্দেশ্যেই তাকে নামাজ পড়ানো হয়। এরপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

লালমনিরহাটে তিস্তার চরে আগাম ভুট্টা চাষে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন নারীদের

বগুড়ায় চুরির অভিযোগে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়ে যুবককে মুক্তি

Update Time : 10:46:42 am, Thursday, 27 August 2026

বগুড়ার আদমদীঘিতে ফার্মেসির দোকান থেকে ওষুধ চুরির সময় আলামিন হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে আটক করে ১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েছেন ফার্মেসির মালিক। অভিযুক্ত আলামিন উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সান্তাহার পূর্ব ঢাকারোড এলাকায় জহুরুল ইসলামের তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপ থেকে তাকে আটক করা হয়। তাজ ফার্মেসি অ্যান্ড মেডিসিন শপের স্বত্বাধিকারী জহুরুল ইসলাম জানান, বেলা ১২টার দিকে তিনি দোকান খুলে রেখে বাথরুমে যান। এই সুযোগে আলামিন তার ওষুধের দোকানের গেটে চেয়ারের ওপর দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ চুরি করছিলেন।

এ সময় চেয়ার ভেঙে তিনি পড়ে যান। বিষয়টি পাশের দোকানদার মাসুদ দেখতে পেয়ে দৌড়ে এসে ওই যুবককে ধরে ফেলেন। এরপর আশপাশের লোকজন একত্র হয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আলামিন চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন। এরপর স্থানীয়রা শাস্তিস্বরূপ তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ার নির্দেশ দেন। পাশের দোকানি জিল্লুর রহমান মামুন জানান, অভিযুক্তকে শাস্তিস্বরূপ দীর্ঘ সময় নামাজ না পড়ানো হলে স্থানীয়রা তাকে মারধর করতেন।

এ জন্য তাকে ১০০ রাকাত নফল নামাজ পড়ানো হয়। পাশাপাশি নামাজ পড়ে যেন অভিযুক্ত আলামিন তার এই অপরাধের জন্য অনুতপ্ত হন এবং পরবর্তীতে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকেন, সে উদ্দেশ্যেই তাকে নামাজ পড়ানো হয়। এরপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।