সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাসের মাত্র ছয় দিনেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৭৪৪ জন। আগেই বিশেষজ্ঞরা এ ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন।
তবে মশা মারতে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় রাজধানীর গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে দেশের ৬৪ জেলাতেই ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গুর সংক্রমণ। প্রতিদিন বাড়ছে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা, দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। বিশেষ করে আগস্টের পর সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সংক্রমণের যে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে, তাতে চলতি মাসেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও কীটতত্ত্ববিদেরা।
শুধু জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা কীটতত্ত্ববিদ নয়, খোদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এ এম এ মুহিতও সতর্ক করে বলেছেন, চলতি বছর ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে মশা নিধনে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত শনিবার সকাল ৮ থেকে গতকাল রোববার সকাল ৮ পর্যন্ত এক দিনে সারা দেশে ১ হাজার ৫৫৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মারা গেছে চারজন।
এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১১৭ জনে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। আগস্টে যেখানে ২০ হাজার ৫৩৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, সেপ্টেম্বরের প্রথম কয়েক দিনেই আক্রান্তের সংখ্যা আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির ভয়াবহতা আরও স্পষ্ট হয়।
জুনে সারা দেশে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ২ হাজার ৯০৭ জন। জুলাইয়ে তা বেড়ে হয় ৯ হাজার ২০৬ জন। আগস্টে এক লাফে দাঁড়ায় ২০ হাজার ৫৩৬ জনে। অর্থাৎ, মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে মাসিক হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বেড়েছে। ঢাকার বাইরে দ্রুত ছড়াচ্ছে সংক্রমণ : এবারের ডেঙ্গু পরিস্থিতির সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো— সংক্রমণ আর শুধু ঢাকা বা বড় শহরকেন্দ্রিক নেই।
দেশের ৬৪ জেলাতেই ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় সংক্রমণের হার বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। পিরোজপুরসহ দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় রোগীর চাপ বাড়ছে। ঝালকাঠিতেও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৬৭৮তে পৌঁছেছে বলে স্থানীয়ভাবে জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু এখন আর শুধু নগরকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য সমস্যা নয়; এটি জাতীয় পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য সংকটে পরিণত হচ্ছে।
শহরের পাশাপাশি উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলেও এডিস মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হওয়ায় রোগটি দ্রুত নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। ঢাকার বাইরে আরও একটি বড় সমস্যা হলো অনেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মশক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা দুর্বল। একই সঙ্গে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ, পর্যবেক্ষণ এবং জটিল রোগীর চিকিৎসার সুযোগও রাজধানীর তুলনায় সীমিত। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুঝুঁকিও বাড়ছে।
মশা নিধন কার্যক্রম কোথায় : ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়লেও মাঠ পর্যায়ে মশা নিধন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেক এলাকায় নিয়মিত ওষুধ ছিটানোর কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। কোথাও কোথাও মশক নিধন অভিযান হলেও তা বিচ্ছিন্ন ও স্বল্পমেয়াদি। অথচ এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে শুধু প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিধন নয়, বরং লার্ভা ধ্বংস এবং প্রজননস্থল নির্মূল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাড়ির ছাদ, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, টায়ার কিংবা জমে থাকা স্বচ্ছ পানির সামান্য অংশও এডিস মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হতে পারে। তাই শুধু সড়কে ফগিং করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ কারণে নিয়মিত উৎসস্থল ধ্বংস, লার্ভিসাইড প্রয়োগ, বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন এবং প্রজননক্ষেত্র শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
ফগিংয়ের প্রদর্শনী, কিন্তু লার্ভা নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি : ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ফগিংয়ের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু ফগিংয়ের কার্যকারিতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। কারণ ফগিং মূলত উড়ন্ত বা পূর্ণাঙ্গ মশা কমাতে সাময়িক ভূমিকা রাখে কিন্তু মশার ডিম ও লার্ভা ধ্বংস করতে পারে না। ফলে এক এলাকায় ফগিং করার কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন প্রজন্মের এডিস মশা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে বিশেষজ্ঞদের মতে, ফগিংয়ের পাশাপাশি লার্ভা ধ্বংস ও প্রজননস্থল নির্মূল না করলে মশার ঘনত্ব কমানো কঠিন। হাসপাতালে বাড়ছে চাপ : ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতেও চাপ বাড়ছে। রাজধানীর পাশাপাশি জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় শয্যা ব্যবস্থাপনা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকার বাইরেও রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
চিকিৎসকদের আশঙ্কা, সংক্রমণ যদি বর্তমান গতিতে বাড়তে থাকে, তাহলে গুরুতর রোগীর সংখ্যাও বাড়বে। বিশেষ করে দ্বিতীয়বার ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে জটিলতার ঝুঁকি বেশি হতে পারে। ফলে শুধু রোগী শনাক্ত করাই যথেষ্ট নয়; দ্রুত পরীক্ষা, পর্যবেক্ষণ এবং যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করাও জরুরি। সেপ্টেম্বর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা : ডেঙ্গুর মৌসুমি প্রকোপ সাধারণত বর্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এবার পরিস্থিতি নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জনস্বাস্থ্যবিদ ও কীটতত্ত্ববিদদের আশঙ্কা, কার্যকরভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে সেপ্টেম্বরেই পরিস্থিতি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠতে পারে। এমনকি বছরের শেষ দিকে ২০২৩ সালের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও তারা করছেন। অর্থাৎ, এখনই সমন্বিত ও আগ্রাসী মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম না নিলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শুধু কীটনাশক ছিটিয়ে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।
অনেক প্রজননস্থলে স্প্রে কার্যকর হয় না। বরং ওয়াসার ওয়াটার মিটার হোলের মতো জায়গায় ইনসেক্ট গ্রোথ রেগুলেটর (আইজিআর) ট্যাবলেট ব্যবহার করলে তা কয়েক মাস কার্যকর থাকে। কবিরুল বাশার বলেন, মানুষের ঘরে রাখা পানির ড্রাম বা বালতিতে সিটি করপোরেশন কীটনাশক ব্যবহার করতে পারে না। তাই এসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানুষের আচরণ পরিবর্তন।
নাগরিকদের পরামর্শ দিয়ে এই কীটতত্ত্ববিদ বলেন, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পানির পাত্র খালি করে ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। যেমন একসময় হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা হয়েছিল, তেমনি পানির পাত্র পরিষ্কার রাখাও দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ জানেন এডিস মশা ডেঙ্গু ছড়ায়, কিন্তু নিজেদের বাড়িতে কোথাও মশার প্রজনন হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করেন না।
প্রত্যেক পরিবারকে নিশ্চিত করতে হবে, তাদের বাড়ি বা আঙিনায় যেন কোনোভাবেই এডিস মশার প্রজনন না হয়। দায় কার : ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের নয়। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। কিন্তু বাস্তবে দায়িত্বের বড় অংশ মশা নিধনের ওষুধ ছিটানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে।
ফলে একদিকে রোগী বাড়ছে, অন্যদিকে মশার প্রজননস্থলও থেকে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে একটি জাতীয় সমন্বিত মশক ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি প্রয়োজন। এতে প্রতিটি জেলার ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে নিয়মিত মশার ঘনত্ব পরিমাপ, লার্ভা জরিপ, প্রজননস্থল ধ্বংস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু এখন দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে— এটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং রোগটির ভৌগোলিক বিস্তারের একটি বড় সতর্কসংকেত। তাই পরিস্থিতি মহামারি পর্যায়ে পৌঁছানোর পর ব্যবস্থা নিলে তার মূল্য দিতে হবে প্রাণ দিয়ে। এখনই যদি মশার ঘনত্ব কমানো, প্রজননস্থল ধ্বংস এবং রোগী ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
অপর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বে-নজির আহমেদ বলেন, মশা নিধনের কার্যক্রম কাগজে-কলমে নয়, মাঠে দৃশ্যমান হতে হবে। কোন এলাকায় কতটি প্রজননস্থল পাওয়া গেল, কতটি ধ্বংস করা হলো, কতবার লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হলো এবং মশার ঘনত্ব কতটা কমল— এসবের পরিমাপযোগ্য হিসাব থাকতে হবে। নইলে একদিকে হাসপাতালে রোগীর সারি দীর্ঘ হবে, অন্যদিকে মৃত্যুর মিছিলও থামানো কঠিন হয়ে পড়বে।
ডেঙ্গুর বর্তমান ঊর্ধ্বগতি তাই নিছক মৌসুমি রোগের স্বাভাবিক বিস্তার হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ৬৪ জেলায় সংক্রমণ, দ্রুত বাড়তে থাকা রোগী, প্রতিদিনের মৃত্যু এবং দুর্বল মশক নিয়ন্ত্রণ— সবকিছু মিলিয়ে এটি এখন জাতীয় জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতির সতর্কবার্তা। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সামনে আরও বড় বিপর্যয় অপেক্ষা করছে। ভয়াবহ রূপ নিতে পারে ডেঙ্গু, সবাইকে সতর্ক করলেন খোদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী : ডেঙ্গু চলতি মৌসুমে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এ এম এ মুহিতও।
গতকাল রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদের টানেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তথ্য ও ডাটার ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। তাই অক্টোবরের আগেই সবাইকে সতর্ক হতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তিনি বলেন, আগের বছরের তুলনায় এ বছর এখনো ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা কম।
তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামীকাল থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠপর্যায়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে গণমাধ্যমকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে হাসপাতালসহ সব জায়গা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
বিশেষ করে রাজধানী ঢাকাকে মশার প্রজননস্থলমুক্ত রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। জনগণকে সম্পৃক্ত করেই মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরজুড়ে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।





















