12:05 pm, Sunday, 23 August 2026

নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের এডমিরাল পদে পদোন্নতি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে এডমিরাল পদে উন্নীত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ এডমিরাল পদমর্যাদা অর্জন করলেন। রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৮তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। এর আগে তিনি রিয়ার এডমিরাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিন বছরের জন্য নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। আগামী ২০২৯ সালের ২২ জুলাই তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ার রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভিতে মৌলিক নৌ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক ক্যারিয়ারে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, সাবমেরিন কমান্ডার এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব উল্লেখযোগ্য। সামরিক পেশায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদক ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি) এবং ‘নৌ পারদর্শিতা পদক’ (এনপিপি) লাভ করেছেন। পাশাপাশি জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ও জাতীয় স্কাউট পুরস্কার ‘সিলভার ইলিশ পদক’ও পেয়েছেন।

নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্রও তিনবার অর্জন করেছেন তিনি। সামরিক দায়িত্বের বাইরে লেখালেখি ও গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সামরিক বিষয় এবং নৌকৌশল নিয়ে তার একাধিক লেখা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি মালয় ও ফরাসি ভাষাতেও তার দক্ষতা রয়েছে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সততার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

গাজীপুরে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় শর্টসার্কিট থেকে ঝুটগুদামে আগুন

নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমের এডমিরাল পদে পদোন্নতি

Update Time : 10:56:36 am, Sunday, 23 August 2026

বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে এডমিরাল পদে উন্নীত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ এডমিরাল পদমর্যাদা অর্জন করলেন। রোববার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ১৮তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। এর আগে তিনি রিয়ার এডমিরাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিন বছরের জন্য নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। আগামী ২০২৯ সালের ২২ জুলাই তার দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগ দেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ার রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভিতে মৌলিক নৌ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে ১৯৮৯ সালের ১ জুলাই এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক ক্যারিয়ারে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, স্টাফ ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার, সাবমেরিন কমান্ডার এবং বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির কমান্ড্যান্টের দায়িত্ব উল্লেখযোগ্য। সামরিক পেশায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদক ‘নৌবাহিনী পদক’ (এনবিপি) এবং ‘নৌ পারদর্শিতা পদক’ (এনপিপি) লাভ করেছেন। পাশাপাশি জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার ও জাতীয় স্কাউট পুরস্কার ‘সিলভার ইলিশ পদক’ও পেয়েছেন।

নৌবাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্রও তিনবার অর্জন করেছেন তিনি। সামরিক দায়িত্বের বাইরে লেখালেখি ও গবেষণার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম। সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, সামরিক বিষয় এবং নৌকৌশল নিয়ে তার একাধিক লেখা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি মালয় ও ফরাসি ভাষাতেও তার দক্ষতা রয়েছে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব ও সততার মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।