2:31 pm, Thursday, 27 August 2026

ভারতের চার কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা জারি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের চারটি কোম্পানি ও তিন নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটনের নতুন অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট-এর আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ভারতভিত্তিক চার প্রতিষ্ঠান হলো পোর্টিজ পার্টনার্স এলএলপি, সদাশিবা ওভারসিজ লিমিটেড, পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড ও প্রকৃতিজ ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন পোর্টিজ পার্টনার্সের দুই অংশীদার হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গি ও ইন্দ্রিসমিয়া আশরাফমিয়া শেখ এবং পিপি সফটটেকের প্রশান্ত গার্গ।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, কাস্টমস ব্রোকার প্রতিষ্ঠান পোর্টিজ পার্টনার্স ভারতে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানিতে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে সদাশিবা ওভারসিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য দুই প্রতিষ্ঠান প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, অধিগ্রহণ, বিক্রি, পরিবহন বা বিপণনের ক্ষেত্রে জেনেশুনে ‘গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে’ যুক্ত ছিল। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ আরও ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, এসব দেশের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। এর মধ্যেই ভারতের চার কোম্পানি ও তিন নাগরিকের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা এলো।

এদিকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনে কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সংঘাতের সময় যেসব মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বা জনবল কমানো হয়েছিল, সেগুলোর কয়েকটিতে আবার কর্মী পাঠানো হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

নেপালে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২

ভারতের চার কোম্পানির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা জারি

Update Time : 11:13:59 am, Wednesday, 26 August 2026

ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের চারটি কোম্পানি ও তিন নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটনের নতুন অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট-এর আওতায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ভারতভিত্তিক চার প্রতিষ্ঠান হলো পোর্টিজ পার্টনার্স এলএলপি, সদাশিবা ওভারসিজ লিমিটেড, পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড ও প্রকৃতিজ ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন পোর্টিজ পার্টনার্সের দুই অংশীদার হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গি ও ইন্দ্রিসমিয়া আশরাফমিয়া শেখ এবং পিপি সফটটেকের প্রশান্ত গার্গ।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের অভিযোগ, কাস্টমস ব্রোকার প্রতিষ্ঠান পোর্টিজ পার্টনার্স ভারতে ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য আমদানিতে সহায়তা করেছে। অন্যদিকে সদাশিবা ওভারসিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য দুই প্রতিষ্ঠান প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য কেনা, অধিগ্রহণ, বিক্রি, পরিবহন বা বিপণনের ক্ষেত্রে জেনেশুনে ‘গুরুত্বপূর্ণ লেনদেনে’ যুক্ত ছিল। এ কারণেই তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ আরও ৬০ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

ইরানের অর্থনীতিকে দুর্বল করার লক্ষ্যে চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, এসব দেশের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে না। এর মধ্যেই ভারতের চার কোম্পানি ও তিন নাগরিকের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা এলো।

এদিকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনে কর্মীদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সংঘাতের সময় যেসব মার্কিন কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বা জনবল কমানো হয়েছিল, সেগুলোর কয়েকটিতে আবার কর্মী পাঠানো হচ্ছে।