6:06 pm, Friday, 6 November 2026

কেন্দুয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: আসামি আবু মিয়া গ্রেপ্তার, বকুল পলাতক

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

কেন্দুয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবু মিয়া (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, এ ঘটনার প্রধান আসামি বিএনপির পৌর সহ-যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) এখনও পলাতক রয়েছেন।

অভিযুক্ত বকুল ভুক্তভোগী ছাত্রীর সম্পর্কে খালু বলে জানা গেছে। গত বুধবার রাতে ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় বকুলসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই মামলার ২ নম্বর আসামি আবুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী চিকিৎসার কথা বলে আসামি বকুল মিয়া শহরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস রোডের অজ্ঞাত বাসায় নিয়ে ধর্ষণ ও ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে।

তখন ওই ছাত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। পরে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করা হয়। গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রী চট্টগ্রামে তার বড় ভাইয়ের কাছে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর ওই ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে থরা পড়ে।

ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, মামলার দ্বিতীয় অভিযুক্ত আবুকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর ২০টি অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ ও সরঞ্জাম ধ্বংস

কেন্দুয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: আসামি আবু মিয়া গ্রেপ্তার, বকুল পলাতক

Update Time : 07:09:44 am, Friday, 28 August 2026

কেন্দুয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবু মিয়া (৩৬) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, এ ঘটনার প্রধান আসামি বিএনপির পৌর সহ-যুগ্মসাধারণ সম্পাদক বকুল মিয়া (৫০) এখনও পলাতক রয়েছেন।

অভিযুক্ত বকুল ভুক্তভোগী ছাত্রীর সম্পর্কে খালু বলে জানা গেছে। গত বুধবার রাতে ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে থানায় বকুলসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই মামলার ২ নম্বর আসামি আবুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী চিকিৎসার কথা বলে আসামি বকুল মিয়া শহরের পল্লী বিদ্যুৎ অফিস রোডের অজ্ঞাত বাসায় নিয়ে ধর্ষণ ও ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে।

তখন ওই ছাত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। পরে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করা হয়। গত ১ আগস্ট ওই ছাত্রী চট্টগ্রামে তার বড় ভাইয়ের কাছে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষার পর ওই ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে থরা পড়ে।

ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, মামলার দ্বিতীয় অভিযুক্ত আবুকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।