মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শহিদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড-এর নাম সরিয়ে ফেলার দাবি ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মুখে নীরবতা ভেঙে আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বিসিবি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, সম্প্রতি কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত সংবাদে দাবি করা হচ্ছে, বর্তমান বোর্ড প্রশাসন মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের নামে নামকরণ করা শহিদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড বাতিল করেছে।
বিসিবি স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে, শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম কিংবা দেশের অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুর শহিদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড বা অন্য কোনো স্ট্যান্ডের নাম পরিবর্তন বা বাদ দেওয়ার বিষয়ে বোর্ড কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। উল্লেখ্য, বিসিবি কর্তৃক আয়োজিত সব আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন অফিসিয়াল স্ট্যান্ডগুলোর নাম অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রদর্শন ও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
চলতি বছরের শুরুতে বর্তমান বোর্ড দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ম্যাচগুলোতে স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও টেলিভিশন সম্প্রচারÑ সবার জন্যই শহিদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ডসহ সব স্ট্যান্ডের নাম স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান ছিল। এই ইভেন্টগুলোর ম্যাচের টিকিট এবং প্রচারণামূলক উপকরণের ওপরেও স্ট্যান্ডগুলোর নাম উল্লেখ ছিল।
এটিও লক্ষ্য করা উচিত যে, স্টেডিয়ামের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অংশ হিসেবে স্ট্যান্ডের নাম সংবলিত সাইনবোর্ড বা সাইনেজগুলো মাঝে মাঝে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। এ ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সব সময় ম্যাচহীন দিনগুলোতে সম্পন্ন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদের ত্যাগ ও অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে বিসিবি একটি স্ট্যান্ডের নামকরণ তার নামে করেছিল এবং বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অনুমানের অবকাশ নেই।
বিসিবি মনে করে, এই নির্দিষ্ট বিষয়টি বর্তমান বোর্ড এবং বিসিবির ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ও মিথ্যা বিবৃতি ছড়ানোর একটি পরিকল্পিত চেষ্টা। বিসিবি নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের অপচেষ্টাকে কঠোর এবং যথাযথভাবে মোকাবিলা করার অধিকার সংরক্ষণ করে।





















