10:31 am, Tuesday, 13 October 2026

মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। জোয়ারের সময় নোনা পানিতে প্লাবিত হচ্ছে লোকালয়, নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। বাঁধের কাজ শেষ না হওয়ার জন্য ঠিকাদারদের গাফিলতি আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাবকে দুষছেন এলাকাবাসী।

দ্বীপজেলা ভোলার মেঘনা বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরা। পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপবাসীর জীবন চলে ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৮৫ সালের দিকে ৩টি পোল্ডারের মাধ্যমে এখানকার মানুষদের রক্ষায় নির্মিত হয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।

পুরোনো বাঁধগুলো সরু ও নিচু হওয়ায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হতো লোকালয়। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ২০২২ সালে নেওয়া হয় ৫০ দশমিক ৭ কিলোমিটারের নতুন টেকসই বাঁধ নির্মাণ মেগা প্রকল্প।

এতে প্রথমে স্বস্তি পেলেও, নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ মনপুরাবাসী। এজন্য ঠিকাদারদের ধীরগতি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাবকে দায়ী করছেন তারা।

প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে এ সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব বলে আশা পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জাম বলেন, ‘বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজটি সম্পন্ন করা যায়নি। তবে ইতোমধ্যেই অনেক অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করি।’

১ হাজার ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাঁধ ও তীর সংরক্ষণের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় জোয়ারের নোনা পানিতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমিও।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

নতুন আমানত পণ্য ‘এবি সেঞ্চুরি’ চালু করল এবি ব্যাংক

মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা

Update Time : 12:38:09 am, Saturday, 5 September 2026

ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। জোয়ারের সময় নোনা পানিতে প্লাবিত হচ্ছে লোকালয়, নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি। বাঁধের কাজ শেষ না হওয়ার জন্য ঠিকাদারদের গাফিলতি আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাবকে দুষছেন এলাকাবাসী।

দ্বীপজেলা ভোলার মেঘনা বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন উপজেলা মনপুরা। পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপবাসীর জীবন চলে ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৮৫ সালের দিকে ৩টি পোল্ডারের মাধ্যমে এখানকার মানুষদের রক্ষায় নির্মিত হয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।

পুরোনো বাঁধগুলো সরু ও নিচু হওয়ায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হতো লোকালয়। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ২০২২ সালে নেওয়া হয় ৫০ দশমিক ৭ কিলোমিটারের নতুন টেকসই বাঁধ নির্মাণ মেগা প্রকল্প।

এতে প্রথমে স্বস্তি পেলেও, নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ মনপুরাবাসী। এজন্য ঠিকাদারদের ধীরগতি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদারকির অভাবকে দায়ী করছেন তারা।

প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে এ সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব বলে আশা পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জাম বলেন, ‘বিভিন্ন জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজটি সম্পন্ন করা যায়নি। তবে ইতোমধ্যেই অনেক অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করি।’

১ হাজার ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে উপকূলীয় বাঁধ ও তীর সংরক্ষণের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় জোয়ারের নোনা পানিতে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমিও।