4:43 am, Friday, 2 October 2026

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুর ৪ দিনের রিমান্ডে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার মামা ওবায়দুর রহমানকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন আবেদনের প্রেক্ষিতে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওবায়দুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়মের বিয়ের আগে থেকেই ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়েসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় ওবায়দুরের ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মরিয়ম ফাঁস দিয়ে মারা যাওয়ার সময় মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বাসায় ছিলেন। তাদের কোনো ধরনের প্রভাবের কারণে মরিয়ম আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ বা ভয়ভীতি দেখানো কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তার ক্ষেত্রে আসামিদের ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৭৮ জন

এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ওবায়দুর ৪ দিনের রিমান্ডে

Update Time : 03:07:05 am, Friday, 2 October 2026

সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় তার মামা ওবায়দুর রহমানকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন আবেদনের প্রেক্ষিতে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ওবায়দুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মরিয়মের বিয়ের আগে থেকেই ওবায়দুর রহমানের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়েসংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় ওবায়দুরের ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মরিয়ম ফাঁস দিয়ে মারা যাওয়ার সময় মামলার এজাহারভুক্ত কয়েকজন আসামি বাসায় ছিলেন। তাদের কোনো ধরনের প্রভাবের কারণে মরিয়ম আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ছাড়া মরিয়মকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, উসকানি, মানসিক চাপ বা ভয়ভীতি দেখানো কিংবা অন্য কোনোভাবে আত্মহত্যায় সহায়তার ক্ষেত্রে আসামিদের ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।