এবার আসন্ন দূর্গা পূজার দূর্গা আসছে ঘোড়ায় চড়ে আর ফিরে যাবে নৌকায় চড়ে। পূজার বাকি মাত্র ১০ দিন। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা। ইতিমধ্যে রাজশাহীর তানোর উপজেলাজুড়ে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি মন্ডপে চলছে জোরেশোরে প্রতিমা রংতুলির কাজ।
এখন শুধু প্রতিমা বরণ করে মণ্ডপে তোলার অপেক্ষায় পূজারীরা। অন্যদিকে দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পালন করার লক্ষ্যে তানোর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ডপে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান ওসি মাহমুদুল হাসান। জানা গেছে, প্রতিবারের মতো এবারো তানোর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ও দুটি পৌরসভাজুড়ে প্রায় ৫৯টি পূজামন্ডপ রয়েছে।
এর মধ্যে কলমা ইউনিয়নে ১টি, পাঁচন্দর ইউনিয়নে ৩টি, সরনজাই ইউনিয়নে ১টি, তালন্দ ইউনিয়নে ৩টি, কামাগাঁ ইউনিয়নে ২৭টি, চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নে ৩টি ও তানোর পৌরসভায় ১৩টি, মুন্ডুমালা পৌরসভায় ১টি মন্ডপ রয়েছে। প্রতিটি মন্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন চলছে রংতুলির মূল কাজ। উৎসব শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। এতে করে এখন থেকেই রকমারি আলোকসজ্জায় সজ্জিত হচ্ছে প্রতিটি মন্ডপ ও তার আশ পাশের এলাকা।
উপজেলা পূজা উদর্যাপন কমিটির সভাপতি সম্ভুনাথ, সেক্রেটারি গণেশ জানান, ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনার মধ্যে দিয়ে প্রতিমা তৈরির মূল কাজ শেষ হয়েছে। এখন রংতুলির কাজ শেষ হলেই প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে। তারা আরও বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার পূজায় ব্যয় অনেক বেশি।
অপরদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা দিতে প্রতিটি মন্ডপে প্রস্তুত তানোর থানার পুলিশ প্রশাসন এবং নিরাপত্তা দিতে প্রতিটি মন্ডপে থাকছে, পুলিশ, আনসার ভিডিপিসহ সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতসহ প্রসাসনের বিশেষ টিম। উপজেলাজুড়ে পূজা মণ্ডপে পুলিশের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে তানোর থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, তানোরে তেমন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ মন্ডপ নেই, তবুও আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আশা করছি, সুষ্ঠু পরিবেশে পূজা সম্পূর্ণ করা হবে বলে তিনি জানান।





















