সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সাবেক সেনাসদস্য মোহাম্মদ ফজলুর রহিম কাজলের (৫০) মৃত্যুকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা দুইটার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ মধ্যবাজারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আড়াই শতাধিক মানুষ অংশ নেন। নিহত ফজলুর রহিম কাজল ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামের মৃত জবান আলীর ছেলে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে পাশের নওধার গ্রামে একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের অস্থায়ী কার্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন কাজল।
এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দুই দিন পর শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বিরামপুর গ্রামের সামনের একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে মোহনগঞ্জ থানা-পুলিশ। একটি বকুলগাছের ডালের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো এবং হাত-পা ছড়ানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী ভূট্রো, শিক্ষানুরাগী খায়রুল বশর ঠাকুর, সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফরিদ খোকা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন শাহ, সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের সোনা মিয়া, আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য হামিদুল ইসলাম রতন, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আহম্মদ আলী, বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ইসতিয়াক হোসেন চৌধুরী স্বপন, স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন এবং নিহতের বড় ভাই ফজলুল করিম বুলবুলসহ অন্যরা।
নিহতের বড় ভাই ও স্কুলশিক্ষক ফজলুল করিম বুলবুল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছোট ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। ’ এ বিষয়ে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।





















