সালমান খানের দেশাত্মবোধক সিনেমা নিয়ে এক বছর ধরে জটিলতা যেন কিছুতেই কাটতে চাইছিল না! কখনো বেজিংয়ের আপত্তি, কখনো সিনেমার নাম বদল, এযাবৎকাল নানাবিধ জটিলতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে ‘মাতৃভূমি : মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ সিনেমাটিকে।
এই সিনেমা চাক্ষুষ করার জন্য প্রতীক্ষার প্রহর হয়তো আরও দ্বিগুণ হতে চলেছে বলে দর্শক-অনুরাগীরাও একপ্রকার হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন। কারণ সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেতে নানা টালবাহানার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল নির্মাতার। তবে এবার শেষমেশ ভাইজানের কপাল খুলেছে। ‘মাতৃভূমি’র সংশোধিত সংস্করণ দেখে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তরফে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ পেয়েছে সালমানের বহু প্রতীক্ষিত এই সিনেমা।
তবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন’-এর ছাড়পত্র মাস্ট। জানা গেছে, সরকারের তরফে একবার সবুজ সংকেত পেলে সেন্সরের ছাড়পত্র পাওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ‘মাতৃভূমি’ সিনেমার জমা দেওয়া সংশোধিত সংস্করণ দেখে কর্মকর্তারা সন্তুষ্ট হয়েছেন। এরপরই এনওসি দেওয়া হয়েছে সালমানের সিনেমাকে।
গালওয়ান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিনেমার নতুন ভার্সনে ভারত-চীন সম্পর্ককে আরও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে বলে খবর। আসলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সিনেমাটির মূল বিষয়বস্তুর কিছু দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করার পরই চিত্রনাট্যে বদল আনতে হয়। জানা গেছে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্তারা ‘মাতৃভূমি’র নতুন সংস্করণে সন্তুষ্ট।
তাই গত সপ্তাহেই গালওয়ান সংঘাতের ওপর নির্মিত সিনেমাটিকে এনওসি দিয়েছেন তারা। ফলে সিনেমাটিকে মুক্তির আলো দেখাতে আর কোনো বাধা রইল না। সব ঠিক থাকলে দিওয়ালির মৌসুমে মুক্তি পেতে পারে ‘মাতৃভূমি : মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’। আপাতত ১৩ নভেম্বর তারিখটিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। অবশ্যই যদি সিনেমাটি অক্টোবর মাসেই চূড়ান্ত ছাড়পত্র পায়, তবেই নির্মাতারা নভেম্বরে মুক্তির দিকে এগোবেন।
আগে জানা গিয়েছিল, ভারত ও চীনের মধ্যে ক্রমে উন্নত হতে থাকা কূটনৈতিক সম্পর্কে যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, তাই ‘মাতৃভূমি’ সিনেমা থেকে বেশ কিছু চীন প্রসঙ্গ বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ফলে ফের নতুন করে চিত্রনাট্য সাজাতে হয় পরিচালক অপূর্ব লাখিয়াকে।




















