5:02 am, Sunday, 11 October 2026

৮ দিনে ৪৯ জনের মৃত্যু, গ্রামেও বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছেন ২৯৪ জন। এর মধ্যে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন এবং মারা গেছেন ১৪৮ জন। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে। এমন অবস্থায় শহরের পাশাপাশি গ্রামেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে খুলনা বিভাগ। চলতি বছর এই বিভাগে আক্রান্ত ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৫৯ জন। আর গত ৭ দিনেই মারা গেছেন ১০ জন।

অতিরিক্ত রোগী থাকায় হাসপাতালের মেঝেতেই চলছে চিকিৎসা। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির পাশাপাশি চলছে সচেতনতামূলক প্রচারণা।’

বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার বলেন, ‘বরিশাল বিভাগের মধ্যে পিরোজপুরে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরপরই ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলায় রোগীর সংখ্যা বেশি। বিভাগে এবছর রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার। মারা গেছেন ২৫ জন।’

চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গু রোগী ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন। আর রাজশাহী বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৫৮ জন। এবছর সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত সিলেট বিভাগে।

কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোয় জোর দেওয়া দরকার।’

শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। এডিস মশার প্রজননস্থল নির্মূলে কাযর্কর পরিকল্পনার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

Nagorik Sangram

Popular Post

৮ দিনে ৪৯ জনের মৃত্যু, গ্রামেও বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

Update Time : 02:27:44 am, Saturday, 10 October 2026

সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কীটতত্ত্ববিদরা। চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মারা গেছেন ২৯৪ জন। এর মধ্যে কেবল সেপ্টেম্বর মাসেই আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন এবং মারা গেছেন ১৪৮ জন। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে। এমন অবস্থায় শহরের পাশাপাশি গ্রামেও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বাড়ছে মৃত্যুও। ঢাকার পর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে খুলনা বিভাগ। চলতি বছর এই বিভাগে আক্রান্ত ১৫ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ৫৯ জন। আর গত ৭ দিনেই মারা গেছেন ১০ জন।

অতিরিক্ত রোগী থাকায় হাসপাতালের মেঝেতেই চলছে চিকিৎসা। খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির পাশাপাশি চলছে সচেতনতামূলক প্রচারণা।’

বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার বলেন, ‘বরিশাল বিভাগের মধ্যে পিরোজপুরে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরপরই ঝালকাঠি ও বরগুনা জেলায় রোগীর সংখ্যা বেশি। বিভাগে এবছর রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার। মারা গেছেন ২৫ জন।’

চট্টগ্রাম বিভাগে ডেঙ্গু রোগী ১৪ হাজার ছাড়িয়েছে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন। আর রাজশাহী বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৪৫৮ জন। এবছর সবচেয়ে কম রোগী শনাক্ত সিলেট বিভাগে।

কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার বলেন, ‘সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোয় জোর দেওয়া দরকার।’

শহরের পাশাপাশি গ্রামেও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। এডিস মশার প্রজননস্থল নির্মূলে কাযর্কর পরিকল্পনার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।